—প্রতীকী ছবি।
সাপের খেলা দেখছিলেন এক জার্মান পর্যটক। সাপুড়ের মুহূর্তের ভুলে প্রাণ গেল ৫৭ বছর বয়সি প্রৌঢ়ের। পরিবারের সঙ্গে মিশরে ছুটি কাটাতে আসা ওই পর্যটকের প্যান্টের ভিতরে ঢুকে গেল সাক্ষাৎ যম। মিশরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পিরামিড দেখতে আসা এক জার্মান পর্যটক কখনও কল্পনাও করেননি যে এটিই তাঁর জীবনের শেষ ভ্রমণ হয়ে দাঁড়াবে। একটি বিলাসবহুল রিসর্টে সাপের প্রদর্শনী চলাকালীন এমন এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যা দর্শকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এপ্রিলের শুরুতে ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি সেটি সমাজমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত হুরঘাদার একটি হোটেলে সাপুড়েরা খেলা দেখাচ্ছিলেন। জার্মান নাগরিক তাঁর পরিবারের সঙ্গে প্রদর্শনীটি উপভোগ করছিলেন। দু’টি গোখরো দিয়ে নানা কৌশল দেখাচ্ছিলেন সাপুড়ে। খেলা দেখানোর সময় সাপুড়ে সাপগুলিকে দর্শকের খুব কাছে নিয়ে আসছিলেন। আচমকাই সাপুড়ের হাত ফস্কে সোজা জার্মান পর্যটকের প্যান্টের ভিতরে ঢুকে যায় একটি গোখরো । কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্ষিপ্ত সাপটি প্রচণ্ড জোরে প্রৌঢ়ের পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়।
বিষের প্রভাবে জার্মান পর্যটকের অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। দুর্ভাগ্যবশত, চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তি বাভারিয়ার উন্টারআলগাউ জেলার বাসিন্দা ছিলেন এবং দুই আত্মীয়ের সঙ্গে ছুটি কাটাতে এসেছিলেন পিরামিডের দেশে। জার্মান পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। মিশরের পুলিশ বা প্রশাসন সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত নয়।