Uttar Pradesh

মর্গে এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের দেহ আগলে বসে রইল ১০ বছরের পুত্র! খবর পেয়ে এল পুলিশ, ভাইরাল ভিডিয়োয় হইচই

গত বুধবার উত্তরপ্রদেশের এটার জেলা হাসপাতালে ৫২ বছর বয়সি ওই প্রৌঢ়া মারা যান। বৃহস্পতিবার আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনও সাহায্য না পেয়ে নাবালক পুত্র একাই চিকিৎসাকর্মীদের সহায়তায় ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে পৌঁছোয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০০
Share:

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

মৃত মায়ের দেহ একাই বহন করে হাসপাতালে নিয়ে গেল ১০ বছরের নাবালক পুত্র। যক্ষ্মা ও এইচআইভি আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার পর প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনেরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। বাধ্য হয়ে চোখের জল মুছতে মুছতে মৃতা মায়ের দেহ নিয়ে হাসপাতালে একাই ছুটল নাবালক। মর্মান্তিক ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের এটা জেলার। মায়ের দেহ নিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে বসে রয়েছে পুত্র, হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্যের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এটার জেলা হাসপাতালে যক্ষ্মা এবং এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫২ বছর বয়সি ওই প্রৌঢ়া মারা যান। বৃহস্পতিবার আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীদের কাছ থেকে কোনও সাহায্য না পেয়ে নাবালক পুত্র একাই চিকিৎসাকর্মীদের সহায়তায় ময়নাতদন্ত কেন্দ্রে পৌঁছোয়। মায়ের মৃতদেহের পাশে মেঝেতে বসে থাকা শিশুটির ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। নাবালক তার মায়ের দেহাবশেষের পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। তারাই মহিলার ময়নাতদন্ত এবং শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে। এটার বীরাঙ্গনা অবন্তী বাই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছিল প্রৌঢ়াকে। ছেলেটির বাবা গত বছর এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১০ বছর বয়সি নাবালক সংবাদমাধ্যমে জানায়, তার বাবার এইচআইভি রোগ ধরা পড়ার পর সামাজিক ভাবে বয়কট করা হয়েছিল তাদের পরিবারকে। সবাই তাদের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। ওই বালক আরও জানিয়েছে যে, বাবার মৃত্যুর পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের সঙ্গে একা এক বালকের বসে থাকার খবর তাদের কাছে এসে পৌঁছোয়। সঙ্গে সঙ্গে একজন সাব-ইন্সপেক্টর এবং একজন কনস্টেবলকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ভিডিয়োটি সিরাজ নুরানি নামের সাংবাদিকের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে শিউরে উঠছেন নেটাগরিকেরা। প্রতিবেশীদের মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটামাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement