নিজস্ব চিত্র।
বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ভাঙন অব্যাহত গেরুয়া শিবিরে। এ বার বিজেপি-র গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের যোগ দিতেই ভেঙে গেল পঞ্চায়েতের বোর্ড। বিজেপি পরিচালিত সেই পঞ্চায়েতেরই দখল নিল তৃণমূল। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার বিধানসভার গাববেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রূপা পুরকাইতের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তৃণমূলে স্বাগত জানান মথুরাপুরের সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া। প্রধানের সঙ্গে কয়েকশো কর্মী সমর্থকও এদিন তৃণমূলে যোগদান করেন।
গাববেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১৩ জন নির্বাচিত সদস্য রয়েছেন। গত পঞ্চায়েত ভোটে ৭টি জায়গায় বিজেপি প্রার্থীরা জিতেছিলেন। বাকি ৬টিতে জেতে তৃণমূল। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ৭ জন সদস্যকে নিয়ে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করে বিজেপি। সেই সময় প্রধান হয়েছিলেন রূপা পুরকাইত। কিন্তু রবিবার প্রধান নিজে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় পঞ্চায়েতটি হাতে এল তৃণমূলের। রবিবার রান্নার গ্যাস এবং পেট্রোল ও ডিজেলের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে লক্ষীকান্তপুরে তৃণমূলের তরফে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে প্রায় পাঁচশোর বেশি কর্মী ও সমর্থক যোগ দেন তৃণমূলে।
নতুন দলে আসা কর্মীরা জানিয়েছেন, পুরনো দলে মর্যাদা পাচ্ছিলেন না। আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন মূলক কাজকে দেখেই তাঁরা তৃণমূলে এসেছেন। রবিবারের যোগদান পর্বে উপস্থিত ছিলেন মথুরাপুরের সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া, মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার, ব্লক তৃণমূল সভাপতি অলোক ভট্টাচার্য প্রমুখ। মথুরাপুরের সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া বলেন, “বিধানসভা ভোটে গাববেড়িয়া পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সেখানকার বিজেপি-র প্রধান-সহ বহু মানুষ তৃণমূলে যোগ দিলেন। এখন থেকে পঞ্চায়েতটি আমাদের দলের হাতে এল।”