মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নামঞ্চে মিনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার ধর্মতলায়। —নিজস্ব চিত্র।
এক দশকের বেশি তিনি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। কিন্তু এসআইআর তালিকায় তাঁর নেই। এই অনুযোগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নামঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন এক সন্ন্যাসী। শুক্রবার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে তাঁকে পাশে নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘দেখুন, ওঁরা ধর্মের বড় বড় কথা বলেন।’’
ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নামঞ্চে জমায়েত। —নিজস্ব চিত্র।
ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে তৃণমূলনেত্রীর ধর্নামঞ্চে দুপুরে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার একটি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। তিনি জানান, এসআইআর তালিকায় তাঁর নাম নেই। তাঁকে মঞ্চে বলতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পর ওই সন্ন্যাসী বলেন, ‘‘আমি রামকৃষ্ণ সারদা মিশন থেকে এসেছি। আজ ১৪ বছর হল মিনাখাঁ রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রেসিডেন্ট। তা সত্ত্বেও আমার নাম বাতিল করা হয়েছে। আমি বেলুড় মঠের দশম প্রেসিডেন্ট স্বামী বীরেশ্বরানন্দের মন্ত্রশিষ্য। আমি আজ দিদির কাছে এলাম। বললাম, এ রকম যদি হতে থাকে তা হলে তো দেশের অবস্থা তো খুব খারাপ হবে...।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ধর্নামঞ্চ থেকে বলব, সত্যের জয় হোক। এসআইআর যাতে উঠে যায়, তার জন্য ঠাকুর-মা-স্বামীজির কাছে প্রার্থনা জানাচ্ছি।’’
ওই সময় মমতা পাশ থেকে সন্ন্যাসীকে বলেন, ‘‘কাগজগুলো দেখিয়ে দিন। ২০০২ সালেও (ভোটার তালিকায়) নাম ছিল বলছেন।’’ ওই সন্ন্যাসী মঞ্চে দাঁড়িয়ে যখন নথিপত্র দেখাচ্ছেন,তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি এখানে এমন সাত জনকে হাজির করব, যাঁদের ফাইনাল ভোটার লিস্টে মৃত বলা হয়েছে। ৫ লক্ষ জ্যান্ত মানুষকে মৃত বলে দেখানো হয়েছে।’’