Assembly Elections 2026

আইএএস-আইপিএস তলবের পরেই তৎপর নবান্ন, বিধানসভা ভোটে পর্যবেক্ষকের জন্য বিকল্প নাম গেল কমিশনে

নির্বাচন কমিশনের তরফে পর্যবেক্ষকের প্রশিক্ষণের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল, ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস অফিসারকে। বিকল্প হিসেবে ন’জন আইএএস এবং আট জন আইপিএসের নাম পাঠিয়েছে রাজ্য।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:২৯
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভিন্‌রাজ্যে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালনের জন্য রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনা-সহ ১৫ জন আইএএস আধিকারিককে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষকের প্রশিক্ষণের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, ওই ১৫ জনের মধ্যে ন’জনের নাম নিয়ে আপত্তি জানায় রাজ্য। তাঁদের পরিবর্তে বিকল্প নাম পাঠিয়েছে নবান্ন।

Advertisement

অন্য দিকে, ১০ জন আইপিএস অফিসারকেও প্রশিক্ষণে ডাকা হয়েছিল। কমিশন সূত্রে খবর, ওই ১০ জনের মধ্যে বিকল্প আট জন অফিসারের নাম জমা দিয়েছে রাজ্য। রাজ্যের তরফে কমিশনকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। ভিন্‌রাজ্যে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক) হিসাবে কাজ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের ওই ২৫ জন আইএএস-আইপিএস-কে ডেকেছে কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়ে এ বিষয়ে অবহিত করেন কমিশনের আন্ডার সেক্রেটারি এমএল মীনা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৫ এবং ৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উপস্থিতিতে ওই বৈঠক এবং ভোট পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ হবে।

দিল্লির দ্বারকায় ‘ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমেক্র্যাসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট’-এ আয়োজিত দু’দিনের ওই বৈঠকে তলব করা আইএএস-আইপিএসরা গরহাজির হলে তাঁদের বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে’ পদক্ষেপ করা হবে বলে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে চিঠিতে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে রাজ্যের সিইও-কে। সেই সঙ্গে ইমেল মারফত ওই ১৫ আধিকারিককে বৈঠকে যোগদানের নিশ্চয়তা সংক্রান্ত বার্তা পাঠাতে বলা হয়েছে। কমিশনের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এর কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগের জন্য রাজ্যের কাছে একাধিক বার নাম চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু নবান্ন নাম না দেওয়ায় সরাসরি পদক্ষেপ করা হয়। ঘটনাচক্রে, কমিশনের বার্তা আসার পরেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে তৎপর হল রাজ্য।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement