ফের হানা টোটোর শো-রুমে

সরকারি নির্দেশ জারি করা সত্ত্বেও কিছু জায়গা থেকে টোটো বিক্রি করছে, এমন অভিযোগ উঠছিলই। বুধবার দুর্গাপুরের বিধাননগরের পুবালিতে একটি টোটোর শো-রুম বন্ধ করল প্রশাসন। নিয়ম ভেঙে টোটো বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মহকুমাশাসক (দুর্গাপুর) শঙ্খ সাঁতরা জানান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ অগস্ট ২০১৬ ০১:৪২
Share:

সরকারি নির্দেশ জারি করা সত্ত্বেও কিছু জায়গা থেকে টোটো বিক্রি করছে, এমন অভিযোগ উঠছিলই। বুধবার দুর্গাপুরের বিধাননগরের পুবালিতে একটি টোটোর শো-রুম বন্ধ করল প্রশাসন। নিয়ম ভেঙে টোটো বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মহকুমাশাসক (দুর্গাপুর) শঙ্খ সাঁতরা জানান।

Advertisement

বাজারে বিক্রি হওয়া টোটোগুলির অধিকাংশই যাত্রী সুরক্ষার দিকে নজর না দিয়ে তৈরি হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় গবেষণা সংস্থা ‘সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিএমইআরআই)-এর ডিরেক্টর হরিশ হিরানির কথায়, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দিষ্ট করে দেওয়া বিধি মেনে সিএমইআরআই ই-রিকশা বানিয়ে থাকে। কিন্তু যে টোটোগুলি রাস্তায় চলছে সেগুলিতে যাত্রী সুরক্ষা বিধি মানা হচ্ছে না।’’

সরকারি নিষেধাজ্ঞার পরে বহু স্থানীয় টোটো নির্মাতা ব্যবসা বন্ধ রেখেছে। তার পরেও শহরের বিভিন্ন জায়গায় টোটো কেনাবেচার অভিযোগ তোলেন পুরনো টোটো বিক্রেতারা। তাঁদের দাবি, সরকারি নিয়ম মেনে ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর অটোমোটিভ টেকনোলজি’র মান অনুযায়ী গড়া টোটো বিক্রি করতেন তাঁরা। প্রশাসনের নির্দেশে ব্যবসা বন্ধ করতে হয়েছে। অথচ, বেআইনি ভাবে শহরের বহু জায়গায় টোটো বিক্রি হয়ে চলেছে। তাঁদেরই এক জন গগনদীপ সিংহ বলেন, ‘‘আইন মেনে আমরা লোকসানে পড়েছি। আর বেআইনি ভাবে অনেকে মুনাফা লুঠছে।’’

Advertisement

বুধবার মহকুমা প্রশাসনের তরফে বিধাননগরে অভিযান চালিয়ে একটি শো-রুম ‘সিল’ করে দেওয়া হয়। শো-রুমের অন্যতম কর্ণধার প্রিয়ব্রত মুখোপাধ্যায়ের অবশ্য দাবি, সব নিয়ম মেনেই ব্যবসা করেন তাঁরা। টোটো বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার পরে ব্যবসা বন্ধ করেন। শুধু দু’টি টোটো সামনে সাজিয়ে রেখেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘টোটো সে ভাবে রাখাও যে বারণ, জানা ছিল না। আগাম নোটিস পেলে আমরা তা করতাম না।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement