এমনই অবস্থা রাস্তার। — নিজস্ব চিত্র।
পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে থাকা রাস্তার অংশে নিকাশি নালা রয়েছে। কিন্তু ওই এলাকার পুরসভার অংশে নিকাশি নালা নেই। এর জেরে নোংরা জল রাস্তা দিয়ে বইছে। এই অভিযোগ উঠেছে কুলটির সবনপুর গোয়ালাপাড়ায়। এলাকাবাসীর ক্ষোভ, এর জেরে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন তাঁরা।
এলাকাটি আসানসোল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে। বাসিন্দারা জানান, ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের সবনপুর বামনা মোড় থেকে সবনপুর গ্রামের ভিতর দিয়ে কালীতলা-সালানপুরগামী যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তার উপরে রয়েছে সবনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মন্দির প্রভৃতি। তাঁদের ক্ষোভ, সালানপুর পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে গোয়ালাপাড়ার আগে পর্যন্ত পাকা নিকাশি নালা করা হয়েছে। কিন্তু পুরসভার অংশ শুরুর পরে ওই এলাকায় কোনও নিকাশি নালা নেই। এর ফলে নোংরা জল রাস্তার উপর দিয়ে বইছে। বৃষ্টির জলে আবর্জনা মিশে কাদা জমে থাকছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা নেই। ফলে থাকায় রাস্তার পাশে আবর্জনা ফেলেন অনেকে। সেই বর্জ্য রাস্তার উপরে চলে আসে। বৃষ্টি হলেই ওই অংশ কাদায় পরিণত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা লাল্টু সূত্রধর বলেন, “আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া রাস্তা একাংশ দিয়ে নিকাশির জল বয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা দীর্ঘ দিনের। ডাস্টবিন না থাকায় রাস্তার উপরই আবর্জনা ফেলেন অনেকে। ফলে দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যায়। ছাত্রছাত্রীরা এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করে। পুরসভায় বহু বার জানানো সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি।” পথচারী সঞ্জীব পাত্রের কথায়, “মোটরবাইক নিয়ে যাতায়াত করার সময়ে নোংরা জল ছিটকে গায়ে লাগে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকছে। পুরসভা যদি পাকা নিকাশি নালা এবং ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করে দেয়, তা হলে সমস্যার সমাধান হবে।”
মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “বিষয়টি অবশ্যই দেখা হবে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে