খেলার টুকরো খবর

অধ্যাপনা থেকে অবসর নিলেও মাঠে এখনও বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখান তিনি। এ বারও বর্ধমান দ্বিতীয় ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলতে সই করেছেন ৬২ বছরের ওই ‘তরুণ’। তিনি সুব্রত রায়। কালনা কলেজের উদ্ভিদ বিভাদের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। রোজ সকালে অনুসীলন এবং জুনিয়রদের ক্যাচ প্র্যাক্টিস, ব্যাটিং অনুশীলনও করান নিয়মিত। খেলা শুরু অবশ্য সেই স্কুলের জমানা থেকে। টাউন স্কুলে ফুটবলের ‘এ’ টিমে ছিলেন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১২ নভেম্বর ২০১৪ ০১:১৭
Share:

অবসরের পরেও ব্যাট হাতে বাপিদা

Advertisement

উদিত সিংহ • বর্ধমান

অনুশীলনে বাপিদা। নিজস্ব চিত্র।

Advertisement

অধ্যাপনা থেকে অবসর নিলেও মাঠে এখনও বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখান তিনি। এ বারও বর্ধমান দ্বিতীয় ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলতে সই করেছেন ৬২ বছরের ওই ‘তরুণ’। তিনি সুব্রত রায়। কালনা কলেজের উদ্ভিদ বিভাদের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। রোজ সকালে অনুসীলন এবং জুনিয়রদের ক্যাচ প্র্যাক্টিস, ব্যাটিং অনুশীলনও করান নিয়মিত। খেলা শুরু অবশ্য সেই স্কুলের জমানা থেকে। টাউন স্কুলে ফুটবলের ‘এ’ টিমে ছিলেন। ১৯৬৭ সালে খেলেন বর্ধমানের প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ ও নক আউট প্রতিযোগিতায়। পরে দ্বিজপদ মেমোরিয়াল ক্লাবে যোগ দেন। পরবর্তীতে শিবাজি, বিবেকানন্দ সঙ্ঘের হয়েও খেলেছেন। আন্তঃকলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের একাধিক প্রতিযোগিতাতেও যোগ দিয়েছেন। ৫৬ বছর বয়সে জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত টি-২০ তে মিলনী সঙ্ঘের হয়ে একটি ম্যাচের সেরাও হন। ২০১৩-১৪ সালের লিগেও দ্বিতীয় ডিভিশনে অ্যাপোলো অ্যাথলেটিক্সের হয়ে খেলেছিলেন। একটি ম্যাচে ২৬ নট আউটও ছিলেন। কিন্তু কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেওয়ার পরেও খেলা চালিয়ে যেতেন কীভাবে? সুব্রতবাবুর জবাব, “মাঠের টানেই বারবার ছুটে আসি।” কালনা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ থাকাকালীনও সুব্রতবাবু বর্ধমান প্রথম বিভাগের ক্রিকেট লিগে স্থানীয় লোকো ইয়ং মেনস সোসাইটির হয়ে ডব্লিউবিএসি-র বিরুদ্ধে ৪৮ রান করেন। তখন তাঁর বয়স ৫৮। ১৯৭০ থেকে টানা ১৫ বছর জেলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্বও করেন তিনি। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় দলে খেলেছেন একাধিকবার। তাই তো বর্ধমানের তরুণ ক্রিকেট প্রশিক্ষক সৌম্যদীপ বন্দোপাধ্যায় থেকে খুদে ক্রিকেট ছাত্রেরা, সুব্রতবাবু মাঠে নামলেই একটাই ধ্বনি-- ‘বাপিদা চালিয়ে যাও’।

চ্যাম্পিয়ন নবসূর্য

নিজস্ব সংবাদদাতা • দুর্গাপুর

দুর্গাপুরে নেহরু স্টেডিয়ামে চলছে খেলা। ছবি: বিকাশ মশান।

সুপার ডিভিশন ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন হল নবসূর্য এসসিসি। দুর্গাপুর মহকুমা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার নেহেরু স্টেডিয়ামের খেলায় তারা অআকখ কালচারাল ক্লাবকে ২-১ গোলে হারায়। এই লিগে গ্যামন ব্রিজের মাঠে অন্য খেলায় পলাশডিহা আদিবাসী স্পোর্টিং ক্লাব ৩-০ গোলে তানসেন এসিকে হারিয়ে লিগে রার্নাস হয়েছে। এ দিন খেলার শুরু থেকেই আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণে জমে উঠেছিল খেলা। প্রধমার্ধে ১২ মিনিটের মাথায় প্রথম গোলটি করেন অআকখ-র সঞ্জয় সিংহ। কিন্তু ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি অআকখ। খেলার ২১ মিনিটের মাথায় নবসূর্যের হয়ে দীপক রায় গোল শোধ করেন। দ্রুত গতিতে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে তিনি বলটি জালে ঢুকিয়ে দেন তিনি। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ২১ মিনিটের মাথায় নবসূর্যের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন তন্ময় পাল। খেলাটি পরিচালনা করেন ওমপ্রকাশ সিংহ, মুকুল মাজি, বিমান দাস। অন্য দিকে, তানসেন এসিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে লিগে রার্নাস হল পলাশডিহা আদিবাসী স্পোর্টিং ক্লাব। এ দিন গ্যামনব্রিজের মাঠের এই খেলায় গোলগুলি করেন সন্দীপ সোরেন (২) ও লক্ষ্মণ হাঁসদা। খেলাটি পরিচালনা করেন অজয় বিশ্বাস, জিতেন রুইদাস ও আশিস দাস। চার দলের সুপার ডিভিশনের সব ক’টি ম্যাচ শেষে নবসূর্য, পলাশডিহা আদিবাসী, অআকখ ও তানসেন এসি যথাক্রমে ৭, ৫, ২ ও ১ পয়েন্ট পেয়ে লিগ শেষ করল।

ফাইনালে ধাত্রীগ্রাম

নিজস্ব সংবাদদাতা • কেতুগ্রাম

রসুই তরুণ সঙ্ঘ পরিচালিত ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠল ধাত্রীগ্রাম মারিয়াম সঙ্ঘ। মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে তারা ৪-১ গোলে সুড্ডো প্রমদা সঙ্ঘকে হারায়। শুক্রবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ভাতার একাদশ ও দাঁইহাট ফুটবল অ্যাকাডেমি।

বার্ষিক মহকুমা ক্রীড়া

নিজস্ব সংবাদদাতা • বর্ধমান

চলছে মহকুমা বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। নিজস্ব চিত্র।

বর্ধমান সদর মহকুমা বিদ্যালয় ক্রীড়া সংসদ আয়োজিত বার্ষিক মহকুমা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হয়ে গেল বর্ধমানের পুলিশ লাইনে। মঙ্গলবার মহকুমার ৮টি জোনের ৭৩৬ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় যোগ দেয়। ৭৬টি ইভেন্টের আয়োজন ছিল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement