Teacher Recruitment Case

প্রাথমিক নিয়োগ মামলা: ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন মানিক-‘ঘনিষ্ঠ’ বীরভূমের সেই বিভাস

আগে ইডি এবং সিবিআই দুই তদন্তকারী সংস্থাই বিভাসের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল। সিবিআই তাঁকে বেশ কয়েক বার তলবও করেছিল। নিয়োগ মামলায় বিভাসের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও জমা করেছে আদালত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩১
Share:

বিভাস অধিকারী। —ফাইল চিত্র।

প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন সেই বিভাস অধিকারী। এর আগেও কয়েক বার তদন্তকারীদের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে ফের ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। ইডি দফতরে ঢোকার আগে বিভাস জানান, তাঁকে কিছু নথি নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল।

Advertisement

এর আগে ইডি এবং সিবিআই দুই তদন্তকারী সংস্থাই বিভাসের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল। সিবিআই তাঁকে বেশ কয়েক বার তলবও করেছিল। নিয়োগ মামলায় বিভাসের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও জমা করেছে আদালত।

প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতারের পরই এই মামলায় নাম জড়ায় বীরভূমের নলহাটির ২ নম্বর ব্লকের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি বিভাসের। তিনি মানিকের ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত ছিলেন। বেসরকারি বিএড এবং ডিএলএড কলেজ সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতিও ছিলেন বিভাস।

Advertisement

মানিকের গ্রেফতারির পর পরই ইডি আধিকারিকেরা উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিটে একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়েছিল। সেই ফ্ল্যাটের সঙ্গে বিভাসের যোগ রয়েছে বলে দাবি করে ইডি। তল্লাশি অভিযানের পর সেই ফ্ল্যাট সিলও করে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালে এপ্রিল মাসে বীরভূমে বিভাসের বাড়ি এবং আশ্রমে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। সেখান থেকে প্রচুর নথি বাজেয়াপ্ত করে তারা। তার পর বার কয়েক নিজাম প্যালেসে তাঁকে ডেকে পাঠান সিবিআই আধিকারিকেরা।

সোমবার ওই আশ্রম সংক্রান্ত কিছু নথি নিয়ে ইডি দফতরে যান বিভাস। তিনি বলেন, “তদন্তের স্বার্থে নথি দরকার হতেই পারে। আশ্রমের নথি আনতে বলা হয়েছিল। নিয়োগ দুর্নীতির টাকা আমার কাছে গিয়েছে প্রমাণ করতে পারলে, আমার শাস্তি হলে হবে।”

২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। নিয়োগ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, বিভাস অধিকারী এবং রত্না বাগচীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়। প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুরপথে ৩৫০ জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল বলে সিবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রে এজেন্ট হিসাবে কাজ করছিলেন বিভাস। তাঁর বিরুদ্ধে নকল থানা চালানোরও অভিযোগ ওঠে। এক সময় নয়ডা পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল বিভাসকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement