—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
টানা তিন দিন করিমপুর সীমান্তের জ়িরো পয়েন্টে আটকে থাকার পর ১২ জনকে ‘মানবিক কারণে’ ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে কলকাতায় পাঠাল বিএসএফ। তবে তাদের বর্তমান অবস্থান স্পষ্ট নয়।
গত শুক্রবার থেকে আটকে থাকা পরিচয়পত্রহীন ওই দলে ৪ পুরুষ, ৪ মহিলা ও ৪ নাবালক ছিল। সোমবারের বৈঠকেও বিজিবি তাদের বাংলাদেশি বলে মানতে বা ফেরত নিতে অস্বীকার করে। মাথাভাঙা নদীর ধারে টানা রোদে-জলে থেকে শিশু-সহ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় বিএসএফ তাদের উদ্ধার করে।
শুক্রবার ভোরে হোগলবেড়িয়ায় কাঁটাতারের ওপারে, বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার বিলগাথিয়া গ্রাম লাগোয়া পাটখেতের পাশে তাদের প্রথম দেখা যায়। বিজিবি-র ‘পুশ ব্যাক’-এর অভিযোগ বিএসএফ অস্বীকার করায় রবিবার পর্যন্ত দু’পক্ষই অনড় ছিল।
সূত্রের দাবি, ওই ১২ জন বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ, শ্যামনগর এবং খুলনার ডুমুরিয়ার তিনটি পরিবারের সদস্য (যথাক্রমে ৫, ৩ ও ৪ জন)। বিজিবি তাদের নাগরিক বলে মানেনি এবং ওপারে তাদের প্রবেশ রুখতে গ্রামবাসীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাতপাহারা দিয়েছেন।
বিএসএফ জানিয়েছে, উদ্ধারের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে, খাবার ও ওষুধ দিয়ে তাদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে বিএসএফের ডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) তরণী কুমার কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে