Bogtui Case

চার বছর পর কলকাতা থেকে গ্রেফতার বগটুই কাণ্ডের ফেরার অভিযুক্ত! নাম ছিল সিবিআইয়ের চার্জশিটে

সিবিআই জানিয়েছে, বগটুইয়ে গণহত্যার মামলায় এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন রোহন। গ্রেফতারি এড়াতে আত্মগোপন করা, বিচারপ্রক্রিয়া এড়িয়ে চলা— এ হেন নানা কারণে ২০২৪ সালের ৫ এপ্রিল রামপুরহাট আদালত রোহনকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ হিসাবে ঘোষণা করে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ২০:৩০
Share:

বগটুই গ্রামে ভস্মীভূত একটি গ্রাম। — ফাইল চিত্র।

বগটুই কাণ্ডে প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এই মামলায় চার্জশিটে অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে উল্লেখও করেছিল সিবিআই। সেই অভিযুক্ত রোহন শেখ ওরফে কিসমত শেখ গ্রেফতার। ঘটনার চার বছর পর কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিট এলাকা থেকে তাঁকে ধরলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

Advertisement

সিবিআই জানিয়েছে, বগটুইয়ে গণহত্যার মামলায় এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন রোহন। ২০২২ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই মামলায় সিবিআই মূল চার্জশিট ছাড়াও তিনটি অতিরিক্ত চার্জশিট আদালতে জমা করেছে। সেই চার্জশিটে রোহন-সহ মোট ২৭ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকায় রোহনের নামে হুলিয়াও জারি করেছিল সিবিআই। উল্লেখ্য, রোহন বগটুই কাণ্ডে ধৃত এবং সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হওয়া লালন শেখের ছেলে।

গ্রেফতারি এড়াতে আত্মগোপন করা, বিচারপ্রক্রিয়া এড়িয়ে চলা— এ হেন নানা কারণে ২০২৪ সালের ৫ এপ্রিল রামপুরহাট আদালত রোহনকে ‘ঘোষিত অপরাধী’ হিসাবে ঘোষণা করে। তবে তার পরেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। রোহনের খোঁজে নানা দিকে তল্লাশি চালাচ্ছিল সিবিআই। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হল।

Advertisement

২০২২ সালের ২১ মার্চ সন্ধ্যায় বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুই মোড়ে বোমার আঘাত এবং গুলি লেগে খুন হন বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের উপপ্রধান ভাদু শেখ। তার অব্যবহিত পর সেই রাতেই অশান্ত হয়ে ওঠে গোটা বগটুই গ্রাম। গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। শিশু এবং মহিলা-সহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর বীরভূমে যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পুলিশকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের তরফে সাহায্য প্রদান করা হয়। ঘটনাক্রমে বগটুইকাণ্ড নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। এর পর আদালতের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিবিআই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement