বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। — নিজস্ব চিত্র।
রাজ্যে হিন্দুরা বিপন্ন ছিলেন, এই বার্তা দিয়ে অনুপ্রবেশ-প্রশ্নে আবার সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৯তম জন্মজয়ন্তী ও ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদ্যাপনের দিন, শুক্রবার একই সঙ্গে গত সরকারের মনোভাব নিয়েও তীব্র সমালোচনা করার ধারা অব্যাহত রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কলেজ স্ট্রিটে সকালে সাহিত্যিকের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে সন্ধ্যায় রবীন্দ্র সদনে বিজেপি-ঘনিষ্ঠ একটি নাগরিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ও দেশপ্রেম বিপন্ন ছিল। পশ্চিমবঙ্গকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত হয়েছিল। রাষ্ট্রবাদীরা তা রুখেছেন।” তাঁর সংযোজন, “সীমান্ত সুরক্ষিত করতে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। খোলা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে রাজ্যে ‘লাভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদে’র মাধ্যমে সনাতনী সংস্কৃতিকে শেষ করার অপপ্রয়াস করেছে। আমরা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরি করে তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছি।”
জাতীয় স্তরে ‘বন্দে মাতরম্’ সংগ্রহশালা গঠন করা বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। কলেজ স্ট্রিটে বঙ্কিমচন্দ্র স্মৃতি গ্রন্থাগারে এ দিন শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের কর্মসূচি নিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই অনুষ্ঠানের পরে আগের আমলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেছেন, “বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বিজেপির একটি কর্মসূচিতে এখানে এসেছিলাম। ঢুকতে দেওয়া হয়নি। মানুষ বিচার করেছেন।” গ্রন্থাগারের সংস্কার না-হওয়া প্রসঙ্গে তাঁর সংযোজন, “আগের সরকারের কাজ ছিল তোষণ, দুর্নীতি, পরিবারতন্ত্র বজায় রাখা ও রাজ্যকে পিছিয়ে দেওয়া। রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানানোর মতো কোনও কাজের লক্ষ্য তাদের ছিল না। এখন রাষ্ট্রবাদী সরকার এসেছে। সব কাজ হবে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে