—প্রতীকী চিত্র।
জনস্বার্থ মামলার শুনানির দায়িত্ব থেকে আংশিক অব্যাহতি নিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবগণনম। বুধবার নোটিস দিয়ে হাই কোর্ট প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২১ সালের ১ মে-র পরের জনস্বার্থ মামলাগুলি আর শুনবেন না প্রধান বিচারপতি। ওই মামলাগুলির শুনানি এ বার থেকে বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চে হবে। আগামী দিনেও যে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হবে সেগুলিও ওই বেঞ্চে যাবে।
প্রসঙ্গত, রীতি অনুযায়ী কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলার শুনানি প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে হয়। সে-দিক থেকে এই নোটিস কিছুটা বিরল। তবে আইনজীবীদের অনেকে বলছেন, প্রধান বিচারপতি ছাড়া অন্য কেউ জনস্বার্থ মামলার শুনানি করতে পারবেন না, এমন কোনও নিয়ম নেই। এই ধরনের প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি করে কোনও নির্দিষ্ট গোত্রের মামলা কোনও একটি ডিভিশন বেঞ্চে পাঠানো যেতেই পারে।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বা অতিসক্রিয়তার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় একক বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল মামলাও এ বার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রতকুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে হবে। ওই মামলাগুলিও এত দিন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে হত।
হাই কোর্টের এই প্রশাসনিক নির্দেশিকা নিয়ে আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত বলেন, “এই নির্দেশিকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রধান বিচারপতির প্রশাসনিক ক্ষমতা আছে অন্য বিচারপতিদের মামলা শুনানির তালিকা (রস্টার) ঠিক করার। সেই ক্ষমতাবলেই তিনি জনস্বার্থ মামলা হাই কোর্টের দ্বিতীয় ডিভিশন বেঞ্চে পাঠিয়েছেন"। আইনজীবী অর্কপ্রতিম চৌধুরী বলেন, "সাধারণত প্রধান বিচারপতি জনস্বার্থ মামলা শোনেন, এত বছর পর তিনি আর শুনবেন না তাই হয়ত অস্বাভাবিক লাগছে বিষয়টি। পরবর্তী প্রধান বিচারপতি যে হবেন তিনি হয়ত আবারও নিজের বেঞ্চেই জনস্বার্থ মামলা শুনবেন।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে