Dhupguri Bye Election

দু’বছর পর বিধানসভায় খাতা খুলতে কংগ্রেসের ‘হাত’ ধরে ঈশ্বরেই ভরসা রাখল বাংলার সিপিএম

গত ৮ অগস্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিধানসভার উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে। বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের মৃত্যুর কারণে ধূপগুড়ি আসনটি খালি হয়েছিল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ অগস্ট ২০২৩ ২০:৩৮
Share:

সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

প্রথম দল হিসাবে ধূপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল সিপিএম। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, ভাওয়াইয়া সঙ্গীত শিল্পী তথা সামাজিক ন্যায় বিচার মঞ্চের নেতা ঈশ্বরচন্দ্র রায়কে প্রার্থী ঘোষণা করল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। গত ৮ অগস্ট জাতীয় নির্বাচন কমিশন দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভার উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে। তার মধ্যে রয়েছে এ রাজ্যের ধূপগুড়িও। বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপদ রায়ের মৃত্যুর কারণে ধূপগুড়ি আসনটি খালি হয়েছিল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ভোটগ্রহণ। ফল ঘোষণা ৮ সেপ্টেম্বর।

Advertisement

সিপিএম প্রার্থী ঈশ্বরচন্দ্র রায়। —সংগৃহীত

২০২১ সালের ভোটে রাজ্য বিধানসভায় শূন্য হয়ে গিয়েছিল বাম এবং কংগ্রেস। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জিতে কংগ্রেস খাতা খুললেও, দলের জয়ী বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস তৃণমূলে শামিল হওয়ায় ফের শূন্য হয়ে গিয়েছে তারা। ধূপগুড়িতে সেই কংগ্রেসের হাত ধরেই এ বার ভোটের লড়াইয়ে নামছে বামেরা। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, ধূপগুড়িতে তারা বামেদের সমর্থন করবে। যে হেতু লড়াই তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তাই জাতীয় স্তরের বিজেপি-বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটও কার্যকরী হচ্ছে না জলপাইগুড়ি জেলার এই আসনের উপনির্বাচনে। সিপিএম, কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, এই ভোটে আর কিছু হোক না-হোক, বাম-কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, সেটা কেটে যাবে।

ধূপগুড়িতে রাজবংশী ভোট বড় ফ্যাক্টর। সিপিএম প্রার্থী ঈশ্বরও রাজবংশী সম্প্রদায়ভুক্ত। কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেস কতটা অভিঘাত তৈরি করতে পারবে, তা নিয়ে সন্ধিহান জেলার রাজনৈতিক মহল। ২০১৬ সালের ভোটেও বাম-কংগ্রেস জোট করে লড়েছিল। সে বার সিপিএমের মমতা রায় ৩৪.২৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিলেন তৃণমূলের মিতালি রায়। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা থেকেই উত্তরবঙ্গের ছবিটা পাল্টে যেতে থাকে। মালদহ দক্ষিণ বাদে মাথা তুলে সব জায়গাতেই এক নম্বর দল হয়ে ওঠে বিজেপি। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটে ৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে ধূপগুড়ি জেতে গেরুয়া শিবির। ৪৩.৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন তৃণমূলের মিতালি। বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী প্রদীপকুমার রায়ের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছিল। তিনি পেয়েছিলেন পাঁচ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট।

Advertisement

এ বার কি কংগ্রেসের হাত ধরে ঈশ্বর সিপিএমকে খাদ থেকে টেনে তুলতে পারবেন? স্পষ্ট হবে ৮ সেপ্টেম্বর।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement