Municiplity Recruitment Case

ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, পুর দুর্নীতি মামলায় একাধিক বার তলব করে ইডি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে রথীনকে একাধিক বার তলব করেছিল ইডি। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে ঢোকার আগে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন বলেন, “আমায় কিসের জন্য ডেকেছে, জানি না।”

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১১:০৩
Share:

রথীন ঘোষ। —ফাইল চিত্র।

ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তাঁকে একাধিক বার তলব করেছিল ইডি। সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে ঢোকার আগে মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন বলেন, “আমায় কিসের জন্য ডেকেছে, জানি না।”

Advertisement

ইতিমধ্যেই এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

প্রসঙ্গত, স্কুলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ব্যবসায়ী অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। পরে তাঁর সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়ে উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট। সেখান থেকেই পুরসভার নিয়োগেও দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। অয়নের সংস্থা পুর নিয়োগের ক্ষেত্রে ওএমআরের দায়িত্বে ছিল। তদন্তে নেমে একে একে আরও অনেককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। পরে এই মামলায় অবৈধ ভাবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও। গত বছর এই মামলায় প্রথম চার্জশিট দেয় সিবিআই। নিয়োগ দুর্নীতিতে কী ভাবে টাকা লেনদেন হত, সেই চার্জশিটে তার হদিস দিয়েছিল তারা। পাশাপাশি, কী ভাবে চাকরি পাওয়া যেত, তা-ও উল্লেখ করা হয়েছিল। সিবিআই চার্জশিটে দাবি করেছিল, অয়নের দুই এজেন্টের মাধ্যমে বেশ কয়েক জন চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে গড়ে ৫০ হাজার টাকা করে কমিশন নিয়েছিলেন অয়নের এজেন্টরা। অয়নের মাধ্যমে কলকাতা-সহ ১৬টি পুরসভায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে অনেকে চাকরি পেয়েছেন বলে জানানো হয়। চার্জশিটে শমীক চৌধুরী নামে এক এজেন্টের কথা জানায় সিবিআই।

Advertisement

(সবিস্তার আসছে)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement