Snehashis Chakraborty

‘আমি আর রাজনীতি করব না’, জানিয়ে দিলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী

বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়! ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের তিন সহকারী দলনেতার তালিকায় ঠাঁই পেলেন আর এক বিদ্রোহী সন্দীপন সাহা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬ ২৩:৫২
Share:

স্নেহাশিস চক্রবর্তী। —ফাইল চিত্র।

রাজনীতি থেকে সরাসরি সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। বুধবার বিধানসভায় গিয়েছিলেন তিনি। প্রশ্ন করায় তিনি বলেন, “আমি আর রাজনীতি করব না। মানুষের রায় মেনে নিয়েছি।”

Advertisement

২০১১ সালে হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন স্নেহাশিস। তৃতীয় বার তৃণমূল সরকার গঠনের পর ২০২২ সালে অগস্ট মাসে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী হন তিনি। তবে অভিযোগ, স্নেহাশিসের আমলে পরিবহণক্ষেত্রে লাভের থেকে ক্ষতিই হয়েছে বেশি। রাস্তায় সরাকারি বাসের সংখ্যা কমে গিয়েছিল। বেসরকারি বাস বা বিকল্প ব্যবস্থাও তেমন করে উঠতে পারেননি তিনি। এ বারের বিধানসভা ভোটে জাঙ্গিপাড়ার প্রার্থী হিসাবে লড়াই করে বিজেপির প্রসেনজিৎ বাগের কাছে ৮৬২ ভোটে পরাজিত হন স্নেহাশিস।

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির ঠিক এক মাসের মাথায় আনুষ্ঠানিক ভাঙন ধরে তৃণমূলে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়! ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের তিন সহকারী দলনেতার তালিকায় ঠাঁই পেলেন আর এক বিদ্রোহী সন্দীপন সাহা। বুধবার ৫৮ জন তৃণমূল বিধায়কের সমর্থনের চিঠি নিয়ে বিধানসভায় হাজির হন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত। একে একে অন্য বিধায়কেরাও পৌঁছোন। বিদ্রোহী বিধায়কেরা বিধানসভার কাউন্সিল চেম্বারে বৈঠক করেন। ঘণ্টা দেড়েকের বৈঠকের পর তাঁরা স্পিকারের ঘরে যান। ঋতব্রত এবং তাঁর শিবিরের তৃণমূল বিধায়কদের যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে স্পিকার নতুন বিরোধী দলনেতা এবং অন্য পদাধিকারীদের স্বীকৃতি দেন। নতুন বিরোধী দলনেতার জন্য বিধানসভার ঘর খুলে দেওয়া হয়। সেই ঘরে বসেই সাংবাদিক বৈঠক করেন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কেরা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement