Santragachi Jheel

মুখ ফেরায়নি অতিথিরা, গত বছরের তুলনায় সাঁতরাগাছিতে জলচর পাখির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, জানাল সমীক্ষা

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছি স্টেশনের অদূরের ঝিলটি সাঁতরাগাছি পাখিরালয় নামে পরিচিত। প্রতি বছর শীতের শুরু থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখি এসে ভিড় জমাত এখানে। কিন্তু সেই সংখ্যা এখন কমে গিয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩৮
Share:

সাঁতরাগাছি ঝিলে বেড়েছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা। ছবি: সংগৃহীত।

গত বছরের শীতে সাঁতরাগাছি ঝিলে যত সংখ্যক পাখি এসেছিল, এ বার তার চেয়ে সামান্য বেশি এসেছে। সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা গণনার পর জানা গিয়েছে গত বারের তুলনায় এ বার প্রায় এক হাজার পাখি বেশি এসেছে।

Advertisement

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছি স্টেশনের অদূরের ঝিলটি সাঁতরাগাছি পাখিরালয় নামে পরিচিত। প্রতি বছর শীতের শুরু থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে পরিযায়ী পাখি এসে ভিড় জমাত এখানে। এ বার কিছুটা দেরীতে ঝিল সংস্কার করেছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। আশঙ্কা ছিল পাখি কম আসবে। স্থানীয়েরা জানান, ঠিক সময়ে ঝিল পরিষ্কার না হওয়ায় পাখি কম আসছে। তবে পাখির সংখ্যা বাড়লেও তার পুরোটাই ‘স্থানীয় -পরিযায়ী’ লেসার হুইসলিং ডাক বা ছোট সরাল। হিমালয় ডিঙিয়ে উড়ে আসা প্রকৃত পরিযায়ী হাঁস প্রায় নেই। তবে আর এক স্থানীয়-পরিযায়ী নব-বিল্‌ড ডাক দেখা গিয়েছে।

তবে শনিবার পাখি গণনা করে কলকাতা পাখি পর্যবেক্ষণকারীদের সংগঠন ‘প্রকৃতি সংসদ’-এর তরফে রুদ্রপ্রসাদ দাস। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ বার পাখির সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার। গত বারের তুলনায় প্রায় এক হাজার বেশি। ঝিল সংস্কারের দায়িত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক অর্জন বসু রায়ের দাবি, দেরি হলেও অতিরিক্ত লোক লাগিয়ে পাখিদের অনুকূল আস্তানা করা হয়েছে। তবে আশপাশে বাড়ি ঘর বহুতল কারখানা বেড়েছে। ধান কিংবা ফসলের জমি কমেছে। ফলে পাখিদের থাকার সমস্যা হচ্ছে। আগামী দিনে সকলের এ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা উচিত। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আদিগন্ত কচুরিপানা এবং আগাছার জঙ্গল ঢাকা সাঁতরাগাছি ঝিলে বড় ধরনের সংস্কার করা না হলে অচিরেই মুখ ফেরাবে পরিযায়ীরা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement