Rudranil Ghosh in Howrah

বৃষ্টিতে রাস্তা-নালা একাকার, নোংরা জলে বন্দি জগাছা, সেই জলে দাঁড়িয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস রুদ্রনীলের

বৃহস্পতিবার দফায় দফায় বর্ষণে জগাছার বেশ কিছু জনবহুল এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বাড়ি থেকে কাজে বেরোতে গিয়ে নাকাল হতে হচ্ছে সকলকে। দুর্ভোগের খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে জগাছার সাতাশি চ্যাংড়াজলা এলাকা পরিদর্শনে যান এলাকার বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ ১৩:৪৭
Share:

জগাছায় নোংরা জলে বন্দি এলাকাবাসীর সমস্যা এবং অভিযোগ শুনছেন রুদ্রনীল ঘোষ। —নিজস্ব চিত্র।

বর্ষা হলেই সেই পুরনো ছবি হাওড়ার জগাছায়। পয়ঃপ্রণালী থেকে নোংরা জল উপচে পড়েছে রাস্তায়। তার মধ্যেই চলছে যাতায়াত। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ শুনতে উপস্থিত হলেন শিবপুরের বিধায়ক তথা হাওড়া পুরসভার পরিচালন কমিটির সদস্য রুদ্রনীল ঘোষ। রাস্তায় জমা নোংরা জলে নেমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন অভিনেতা-বিধায়ক। দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

স্থানীয়েরা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার দফায় দফায় বর্ষণে জগাছার বেশ কিছু জনবহুল এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। বাড়ি থেকে কাজে বেরোতে গিয়ে নাকাল হতে হচ্ছে সকলকে। দুর্ভোগের খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে জগাছার সাতাশি চ্যাংড়াজলা এলাকা পরিদর্শনে যান এলাকার বিধায়ক রুদ্র। তাঁর সঙ্গে ছিলেন হাওড়া পুরসভার কমিশনার, ইঞ্জিনিয়ার-সহ পদস্থ কর্তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, এই এলাকাটি নিচু হওয়ার কারণে প্রায় সারা বছরই জলমগ্ন থাকে। বর্ষা এলে দুর্ভোগ চরমে ওঠে। এখন নর্দমার জলে থই থই করছে রাস্তা। এর মধ্যে দিয়েই বাসিন্দারা চলাফেরা করতে বাধ্য হন।

শুক্রবার দেখা গেল নোংরা জল কয়েকটি বাড়িতেও ঢুকে পড়েছে। কচিকাঁচারা নোংরা জল ঘেঁটে স্কুল, কোচিং সেন্টারে যাচ্ছে। বড়রা কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন একই ভাবে। প্রায় পাঁচশো পরিবার জলবন্দি অবস্থায় রয়েছে বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘‘বছরে কয়েক মাস জলবন্দি অবস্থায় থাকতে হয়। নোংরা জল ঘেঁটে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বারংবার হাওড়া পুরসভাকে জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।’’ এলাকার বিধায়ক তথা পুরসভা পরিচালন কমিটির সদস্য রুদ্রনীল সেই সমস্ত অভিযোগ শুনেছেন শুক্রবার। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল এবং বাম আমলের পুর বোর্ড নিকাশিব্যবস্থা নিয়ে কোনও কাজ না করায় হাওড়া শহরের এই পরিস্থিতি। বৃষ্টিতে এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। নতুন সরকারের এক মাস হল। তৎপরতার সঙ্গে সরকার কাজ করছে। জমা জল ওই এলাকা থেকে যাতে দ্রুত নামানো যায়, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement