Medical Student Death

বারাণসীর মেডিক্যাল কলেজের হস্টেল থেকে উদ্ধার উত্তরপাড়ার ছাত্রের দেহ! মিলল নোট, মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

উত্তরপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের বাসিন্দা ছিলেন ঋত্বিক। রাজ্যের ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় ভাল ফল করে প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। পরে বারাণসী মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ পান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ২২:৪০
Share:

মৃত ঋত্বিক কুন্ডু। ছবি: সংগৃহীত।

বারাণসীর মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করতেন হুগলির উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ঋত্বিক কুন্ডু। সেই কলেজের হস্টেল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ছাত্র। তাঁর দেহের পাশ থেকে একটি নোটও উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। যদিও সেই নোটে কী লেখা রয়েছে, তা জানা যায়নি।

Advertisement

উত্তরপাড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাজেন্দ্র অ্যাভিনিউয়ের বাসিন্দা ঋত্বিক। রাজ্যের ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় ভাল ফল করে প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। পরে বারাণসী মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ পান। তার পরেই সেখানে পাড়ি দেন তিনি। থাকতেন কলেজে হস্টেলে। স্থানীয়দের দাবি, অত্যন্ত মেধাবি ছাত্র ছিলেন ঋত্বিক। এলাকায় প্রায় সকলের সঙ্গেই মেলামেশা ছিল। তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছোতেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারাণসী থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন আসে। সেই ফোনেই ঋত্বিকের মৃত্যুর খবর জানানো হয়। পরিবার সূত্রে খবর, পুলিশের তরফে তাদের জানানো হয়েছে ঋত্বিকের দেহের পাশ থেকে সুইসাইড নোট মিলেছে। খবর পাওয়ামাত্রই বারাণসীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছে পরিবার। কেন ঋত্বিক আত্মহত্যা করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছে না তারা। প্রতিবেশীরাও বিশ্বাস করতে পারছেন না ঋত্বিকের মৃত্যু।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, ঋত্বিকের বাবা অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী। মা বাড়ির কাজকর্মই সামলান। এক দিদি রয়েছে তাঁর। দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাড়ির ছোট ছেলে ছিলেন ঋত্বিক। পাড়া-প্রতিবেশীর পাশাপাশি ঋত্বিকের স্কুলের শিক্ষকেরাও এই খবরে হতবাক। তাঁর স্কুলের জীবনবিজ্ঞানের শিক্ষক শুভ্র মিত্র জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধূলোতেও উৎসাহী ছিলেন ঋত্বিক। স্কুলে প্রায় সকলেই এক ডাকে তাঁকে চিনত।

ঋত্বিকের বাল্যবন্ধু দেবজিৎ ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘পড়াশোনা ছাড়াও ওকে খেলার মাঠে দেখা যেত। আমরা ছোটবেলায় একসঙ্গে খেলাধুলো করতাম। তবে মাঝের কয়েকটা বছর যোগাযোগ ছিল না আমাদের। কিন্তু খবর পাওয়ার পরে মন ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। দিন কয়েক আগেই ওর মায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওকে নিয়ে কথা হল। ভাবতে পারছি না এমন ঘটে গেল।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement