Sankrail TMC MLA

তৃণমূল বিধায়ক প্রিয়ার গোডাউন এবং গ্যারাজ থেকে বিপুল ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার! সাঁকরাইলে কোলাহল, ঘটনাস্থলে পুলিশ

শুক্রবার তিনটি ম্যাটাডোরে প্রচুর পরিমাণে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি এবং অন্যান্য পোশাক সারেঙ্গায় তৃণমূল বিধায়কের গোডাউন থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা গাড়িগুলি আটকান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১৩:৩০
Share:

বিধায়ক প্রিয়া পালের গোডাউন, গ্যারাজ থেকে ত্রাণের জিনিস উদ্ধার ঘিরে শোরগোল। —নিজস্ব চিত্র।

এ বার হাওড়ার সাঁকরাইলের তৃণমূল বিধায়ক প্রিয়া পালের বিরুদ্ধে সরকারি ত্রাণসামগ্রী সরানোর অভিযোগ। শুক্রবার বিধায়কের সারেঙ্গায় গোডাউন থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার তিনটি ম্যাটাডোরে প্রচুর পরিমাণে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি এবং অন্যান্য পোশাক সারেঙ্গায় তৃণমূল বিধায়কের গোডাউন থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা গাড়িগুলি আটকান। তাঁদের প্রশ্ন, এত দিন এই ত্রাণসামগ্রী কী ভাবে এবং কেন বিধায়কের গোডাউনে ছিল? তাঁদের অভিযোগ, গরিব মানুষদের জন্য এই সরকারি ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ করা হলেও তাঁরা হাতে কিছু পাননি। এই বিক্ষোভের মধ্যে ঘটনাস্থলে দৌড়ে যায় সাঁকরাইল থানার পুলিশ। পরে সরকারি আধিকারিকেরা প্রয়োজনীয় নথি গ্রামবাসীদের দেখালে বিক্ষোভকারীরা শান্ত হন। তার পর বিধায়ক প্রিয়ার হিরাপুর গ্যারাজ থেকেও ত্রিপল উদ্ধার হয়েছে। সাঁকরাইল থানার পুলিশের কাছে স্থানীয়েরা বাড়ি তল্লাশির দাবি জানিয়েছেন।

গ্রামবাসীদের একাংশ তথা বিজেপির অভিযোগ, ত্রাণের যাবতীয় জিনিসপত্র বাইরে পাচার করা হচ্ছিল। সেগুলি খোলা বাজারে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বিধায়ক। উল্লেখ্য, বিধানসভা ভোটের মুখেও সাঁকরাইলের বিধায়কের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেতাদের একাংশই। প্রিয়ার বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সহ নানা অভিযোগে মাসখানেক আগে তাঁরা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কাশেম সিদ্দিকীকে চিঠি দিয়েছেন বলে দলেরই একটি সূত্রে জানা গিয়েছিল। প্রিয়া সেই চিঠিকে গুরুত্ব দেননি। অভিযোগও মানেননি। এ বারেও বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘যে সব ত্রাণসামগ্রী বিলি হয়নি, সেগুলো যাতে ফেরত নেওয়া হয়, সে জন্যই জেলাশাসককে চিঠি লিখেছিলাম। সেই অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছিল। এর সঙ্গে দুর্নীতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement