বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমাচল। ছবি: পিটিআই।
হড়পা বানে সেতু ভেঙে হিমাচল প্রদেশের লাহুল-স্পিতি জেলার উদয়পুরে আটকে পড়েছিলেন ভদ্রেশ্বরের চার পর্যটক। দু’দিন সেখানে হোটেলে কাটাতে হয়। বুধবার পুলিশের সহযোগিতায় তাঁরা নদী পেরিয়ে মানালি পৌঁছলেন।
ষাটোর্ধ্ব ওই চার জন— অর্থাৎ, শক্তিপদ ভট্টাচার্য, তাঁর স্ত্রী রত্না, শক্তিপদের বন্ধু বিপ্লব বসু ও বিপ্লবের স্ত্রী শুভ্রা ১৭ জুন হিমাচলে যান। সোমবার সকালে মানালি থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে উদয়পুরে যান তিলকনাথ ও মৃকুলামাতার মন্দির দেখতে। বিকেলে মানালিতে ফেরার কথা ছিল। দুপুরে চন্দ্রভাগা নদীর শাখা ঝালমা নালায় হড়পা বানে সেতু এবং পাশের রাস্তা ভেঙে পড়ায় ওই বিপত্তি। ব্যাগপত্র তাঁরা মানালির হোটেলে রেখে এসেছিলেন। ফলে, এক কাপড়েই দুর্গম ওই এলাকায় থাকতে হয়।
শক্তিপদ জানান, মঙ্গলবার তাঁরা ওই জেলার এক পুলিশকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এর পরেই উদয়পুর থানার তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। বুধবার সকালে হোটেল থেকে বেরিয়ে তাঁরা থানা হয়ে নদীর কাছে যান। শক্তিপদ বলেন, ‘‘পাহাড়ি ওই নদী সঙ্কীর্ণ। কাদাগোলা জল বইছিল। প্রচুর স্রোত। নদীর উপরে লোহার কয়েকটি পাইপ পাশাপাশি রেখে তার উপর দিয়ে পুলিশকর্মীরা হাত ধরে আমাদের নিরাপদে পার করেন।’’ এর পরে একটি ছোট ট্রাকে তাঁরা মানালি পৌঁছন। বিক্রির জন্য ফসল নিয়ে চাষিরা একই ভাবে পুলিশের সহায়তায় নদী পেরোন।
যে গাড়িতে শক্তিপদরা উদয়পুরে গিয়েছিলেন, সেটি সেখানেই থেকে গিয়েছে। কারণ, সেতু এবং রাস্তা মেরামতের কাজ চললেও তাতে আরও সময় লাগবে। আরও কিছু পর্যটক সেখানে রয়েছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে