—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পঞ্চায়েতে তিন বছরের বেশি সময় ধরে থাকা কর্মীদের বদলি প্রক্রিয়া শুরু হল হুগলিতে। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। নির্দেশিকা জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো হয়। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, “একই জায়গায় দীর্ঘদিন থাকা জেলার মোট কর্মীর প্রায় ৮০ শতাংশকেই বদলি করা হচ্ছে। জেলার মধ্যেই বদলি হচ্ছে। কর্মীদের কাছে চিঠি পৌঁছে যাবে।’’
সূত্রের খবর, পঞ্চায়েতের কাজে স্বচ্ছতা ও গতি বৃদ্ধি করতে পঞ্চায়েত আইনে তিন বছর অন্তর বদলির বিধান থাকা সত্ত্বেও হুগলি জেলায় তা কার্যকর হচ্ছিল না ২০১৪ সাল থেকে। জেলায় দীর্ঘদিন বদলি না হওয়া কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৫০০ জন। তার মধ্যে নির্মাণ সহায়কই রয়েছেন ১৮৬ জন।
বদলির খবরে খুশি সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। জেলার নির্মাণ সহায়ক, সচিব, নির্বাহী সহায়ক ইত্যাদি পদের কর্মীদের সংগঠনগুলিকে নিয়ে গড়া যৌথ কমিটির কর্মকর্তারা জানান, একই জায়গায় দীর্ঘদিন কর্মরত থাকলে কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখায় সমস্যা হয়। প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য বা শাসক দলের নেতাদের চাপানো অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে যাওয়ায় অসুবিধা হয়। এ সব জানা সত্ত্বেও আগের শাসক দলেরই সিদ্ধান্তে অনৈতিক কাজ করানোর জন্যই রেখে দেওয়া হচ্ছিল। এ নিয়ে তৃণমূলের কোনও
প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে