জাতীয় সড়ক থেকে ঢিল ছোড়া দূরের ঝকঝকে মান্ডি ফাঁকা

ঝুঁকি নিয়েই বসছে বাজার

পাশাপাশি দু’টি বাজার। একটি ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে। অন্যটি জাতীয় সড়কের ধারেই। প্রথমটি সুসজ্জিত ও নিরাপদ। কিন্তু সেই বাজার ফাঁকাই পড়ে রয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০১৭ ০১:৪৮
Share:

বিপজ্জনক: রাস্তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে বাজার। ছবি: সুব্রত জানা

পাশাপাশি দু’টি বাজার। একটি ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে। অন্যটি জাতীয় সড়কের ধারেই। প্রথমটি সুসজ্জিত ও নিরাপদ। কিন্তু সেই বাজার ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। অথচ জাতীয় সড়কের ধারের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে। আর ক্রেতা-বিক্রেতাদের গা ঘেঁসে ছুটে চলেছে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। বিপদ থাকলেও হুঁশ নেই কারও। এই দৃশ্য দেখা গেল উলুবেড়িয়ার নিমদিঘিতে।

Advertisement

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রেতা-বিক্রেতাদের এক ছাদের তলায় আনতে যদুরবেড়িয়াতে কিষানমান্ডি গড়ে তোলা হয়। সেখানে আছে পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার। ঢালাই রাস্তা, আলো, সাইকেল ও মোটরবাইক রাখার ব্যবস্থা। ব্যবসায়ীদের জন্য পাকা ছাউনি আছে। কিন্তু সব রকম ব্যবস্থা থাকলেও ব্যবসায়ীরা এখানে আসছেন না। অথচ জাতীয় সড়কের ধারে এই সব সুব্যবস্থা না থাকলেও সেখানেই ভিড় উপচে উপচে পড়ছে।

এই পরিস্থিতি কেন? ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, কিষানমান্ডিতে সব ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সড়কের ধারে বাজার থাকায় সেখানে সব পাওয়া যায়। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, দীর্ঘ দিনের মানুষের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, জাতীয় সড়কের ধারে বাজার করা। প্রশাসন যদি জাতীয় সড়কের ধার থেকে পুরো বাজারটা সরিয়ে নিয়ে যায় তবেই ক্রেতারা ওখানে বাজার করতে যাবেন। না হলে ওখানে গিয়ে ব্যবসা করা যাবে না।

Advertisement

উলুবেড়িয়ার ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাসউদ্দিন খান বলেন, ‘‘মানুষের একটা অভ্যাস হয়ে গিয়েছে, নিমদিঘিতে বাজার করা। কিন্তু জাতীয় সড়কের ধারে এভাবে বাজার চলতে পারে না বলেই কিষানমান্ডি তৈরি করেছে। শীঘ্রই ওই সমস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করে যাতে বাজারটা ওখানে নিয়ে যাওয়া যায় তার চেষ্টা চলেছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement