— প্রতীকী চিত্র।
দেশের স্ট্যাটিসটিক্স দিবসের অনুষ্ঠানে খাস ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের (আইএসআই) মঞ্চ থেকেই পরিসংখ্যান ও তথ্যভান্ডার উপস্থাপনায় নরেন্দ্র মোদীর জমানায় সরকারি অপদার্থতা নিয়ে কড়া বার্তা উঠে এল। আইএসআই প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের ১৩৩ তম জন্মবর্ষে আইএসআই-এর অধ্যাপক, শিক্ষকদের তরফে আবারও কেন্দ্র প্রস্তাবিত আইএসআই বিল নিয়ে আশঙ্কার দিকগুলি উঠে আসে। থিয়োরেটিক্যাল স্ট্যাটিসটিক্স অ্যান্ড ম্যাথমেটিক্সের অধ্যাপক পারমিতা দাস শুরুতেই বলেন, “কেন্দ্র পরিসংখ্যান তত্ত্ব বা রাশিবিজ্ঞানের গুরুত্বের কথা বলে আইএসআই-কে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। কিন্তু তথ্যভান্ডার সদ্ব্যবহারে কেন্দ্রের ভূমিকাই অত্যন্ত গোলমেলে।” জিডিপির তথ্যের বিকৃতি, কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান গোপন করা থেকে এনএসএসও এবং সিএসও-কে জবরদস্তি মিশিয়ে দেওয়া বা দেশে তিন বছর কোনও মুখ্য পরিসংখ্যানবিদ না-থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পারমিতা।
পারমিতা এবং আইএসআই ওয়ার্কার্স অর্গানাইজ়েশনের প্রেসিডেন্ট পার্থপ্রতিম মোহান্তেরা কর্পোরেট ধাঁচে বা আইআইটি, আইআইএম মডেলে আইএসআই পরিচালনার চেষ্টার সার্থকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক ন্যায়ের লক্ষ্যে বা প্রান্তিক মানুষের স্বার্থে পরিসংখ্যানকে ব্যবহারে প্রশান্ত মহলানবিশের আদর্শ সরকারি নিয়ন্ত্রণে কত দূর সুরক্ষিত থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে আসে সভায়। প্রস্তাবিত আইএসআই বিল-এর মাধ্যমে সরকারি সর্বময় কর্তৃত্বের সার্থকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পারমিতা বলেন, “আইআইটির তুলনায় সীমিত পরিকাঠামো, আর্থিক সংস্থান নিয়েও উৎকর্ষ চর্চায় আইএসআই-এর ভূমিকা পিছিয়ে নেই। বরং কম খরচে গরিব মেধাবীদের কাছে উচ্চাঙ্গের পঠনপাঠন পৌঁছে শিক্ষাকে তা আরও সর্বজনীন করে তুলছে।”
আইএসআই-এর নতুন অধিকর্তা অমর্ত্যকুমার দত্তও আইএসআই-এর কৃতী অধ্যাপকদের জাতীয়, আন্তর্জাতিক স্তরের নানা সাফল্য মেলে ধরেন। প্রসঙ্গত সোমবারই দিল্লিতে মর্যাদাপূর্ণ সুখাৎমে জাতীয় পুরস্কার পেলেন অধ্যাপক অরূপ বসু।
অমর্ত্যের কথায়, “আজও দিল্লিতে যোজনা কমিশন বা অন্যত্র কেউ কেউ ‘সেই আইএসআই আর নেই’ বললেও বাস্তবে গত দু’দশকে আইএসআই নানা শৃঙ্গ জয়ে অদম্য। পৃথিবীতে আসা তারার আলোর মতো দেরিতে হলেও এর স্বীকৃতি আসা অবশ্যম্ভাবী।” বিশিষ্ট বিজ্ঞানী তথা অশোক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সোমক রায়চৌধুরীর বক্তৃতায় জ্যোতির্পদার্থবিদ্যার গবেষণায় সমকালের এআইএমএল কৃৎকৌশলের সম্বন্ধের নানা দিক
উঠে আসে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে