Kakoli Ghosh Dastidar on Kalyan Banerjee

কল্যাণের বিরুদ্ধে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি সতীর্থ কাকলির, মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করতে চাইলেন অনুমতি

বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলির অভিযোগ, কল্যাণ লোকসভার ভিতরে তাঁকে বার বার মৌখিক হেনস্থা করেছেন। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষের অভিযোগও তুলেছেন কাকলি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ১১:০৫
Share:

(বাঁ দিকে) কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষদস্তিদার (ডান দিকে)। লোকসভার স্পিকারকে পাঠানো কাকলির চিঠি (মাঝে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন দলেরই আর এক সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। বুধবার লেখা ওই চিঠিতে কল্যাণের বিরুদ্ধে মৌখিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করার জন্য স্পিকারের অনুমতি চেয়েছেন কাকলি।

Advertisement

বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলির অভিযোগ, কল্যাণ লোকসভার ভিতরে তাঁকে বার বার মৌখিক হেনস্থা করেছেন। শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষের অভিযোগও তুলেছেন কাকলি। চিঠিতে তাঁর দাবি, লোকসভার মহিলা সদস্যদের প্রতি কল্যাণের নারীবিদ্বেষী মনোভাব রয়েছে। তাই এ ক্ষেত্রে কল্যাণের শাস্তি পাওয়া উচিত বলে মনে করেন কাকলি।

এই চিঠির বিষয়ে সবিস্তার জানতে আনন্দবাজার ডট কম বারাসতের তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। ফোনে পাওয়া যায়নি শ্রীরামপুরের সাংসদকেও। তাঁদের বক্তব্য জানা গেলে এই প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।

Advertisement

গত রবিবার বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন কাকলি। ওই দিন সাংবাদিক বৈঠক করে আই-প্যাকের নাম না-করেও ‘ভুঁইফোঁড় সংস্থার’ বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। বুধবার সেই কাকলি তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন। কারণ হিসাবে আরজি কর-কাণ্ড এবং আই-প্যাক সংক্রান্ত অসন্তোষের উল্লেখ করেছেন। শীর্ষ নেতৃত্বকে দেওয়া চিঠিতে নাম না-করে কল্যাণকে নিশানা করেন তিনি। লেখেন, ‘‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের উপর অন্য এক জন অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা সহানুভূতি পাওয়া যায় না, (তখন) সে পদে থাকার মানে হয় না।’’

বুধবার কাকলির এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, ‘‘২০১১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আমি সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদে ছিলাম। মাঝখানে কয়েক মাস ওই দায়িত্বে ছিলাম না। ওঁর (কাকলির) আবার কিসের এত কথা? নারদে তো আমি পাঁচ লক্ষ টাকা নিইনি। উনি নিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সিন্ডিকেট শব্দের জন্মদাত্রী কে? সকলে জানেন। সেই সিন্ডিকেটের জন্মস্থান রাজারহাট।’’

কল্যাণের বিরুদ্ধে কাকলির এই চিঠি আবার রাজনৈতিক মহলে অন্য একটি কৌতূহলকে উস্কে দিয়েছে। লোকসভার অনেক সাংসদই জানেন এবং ঘনিষ্ঠমহলে মানেন যে, দল আলাদা হলেও স্পিকারের সঙ্গে কল্যাণের সম্পর্ক বরাবরই ভাল। এই পরিস্থিতিতে কাকলির চিঠির প্রেক্ষিতে কল্যাণের বিরুদ্ধে বিড়লা কী পদক্ষেপ করেন, তা জানতে কৌতূহলী অনেকেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement