— প্রতীকী চিত্র।
মন্দিরের প্রণামীর বাক্সে জমা পড়া টাকা তাঁর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গুনতে হবে। মন্দিরের সেবায়েতকে এমন কথা বলার অভিযোগ উঠল আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত চিকিৎসক-পড়ুয়ার বাবা, তথা পানিহাটির বিধায়কের স্বামীর বিরুদ্ধে। যদিও তিনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে, কোথাও কোনও লিখিত অভিযোগ করেননি ওই সেবায়েত।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও, গত শনিবার পানিহাটিতে দণ্ডমহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ফি-বছর লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। তাঁরা চৈতন্যদেবের মন্দিরেপুজো দেন। তাতে মোটা অঙ্কের প্রণামী জমা হয়। রাজ্যে পালাবদলের পরে এ বছর ওই উৎসব কমিটিরও বদল হয়েছে। উৎসবের দিন সকালে ওই মন্দিরের সেবায়েত বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় স্থানীয় এক ব্যক্তিরকাছে ফোনে দাবি করেন, প্রণামীর বাক্স তাঁর বাড়িতে জমা দেওয়ার কথা বলেছেন বিধায়কের স্বামী। ওই কথোপকথনের অডিয়ো (যার সত্যতা আনন্দবাজার পত্রিকা যাচাই করেনি) সমাজমাধ্যমে ছড়াতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
বঙ্কুবিহারী বলেন, ‘‘প্রণামীর বাক্স নিয়ে যেতে হলে বিধায়ককে লিখিত ভাবে জানাতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলাম। তবে, তার পরে বিধায়কের স্বামী বিষয়টি নিয়ে আর কিছু বলেননি। তাই অভিযোগ করিনি।’’ যদিও আর জি করের নির্যাতিতার বাবা বলেন, ‘‘এমন কথা বলিনি। ও সব কমিটির বিষয়। অডিয়ো ঠিক করে শুনলেই সব বুঝতে পারবেন। সাধারণ মানুষের দানের টাকার হিসাবে যাতে স্বচ্ছতা থাকে, সেটাই কাম্য।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে