Kasba Law College Gang Rape Case

কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণ: চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জগঠন, সাক্ষী ৮৩ জন, বিচার শুরু ২৭ জানুয়ারি থেকে

কসবার আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ওই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) নেতা। এ ছাড়া কলেজের দুই পড়ুয়ার বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:২০
Share:

কসবার আইন কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় চার্জগঠন করা হয়েছে। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

কসবার সাউথ ক্যালকাটা ল’কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের মামলায় চার্জগঠন সম্পন্ন হল আলিপুর আদালতে। এ বার বিচারের পালা। ওই মামলায় অভিযুক্ত চার জনের বিরুদ্ধেই চার্জগঠন করা হয়েছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বিচারপ্রক্রিয়া।

Advertisement

কসবার আইন কলেজের ঘটনায় মোট ৮৩ জন সাক্ষী রয়েছেন। ২৭ তারিখ থেকে তাঁদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। গণধর্ষণ-সহ একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত ওই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের (টিএমসিপি) নেতা। ঘটনার সময় তিনি ওই কলেজেরই অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। এ ছাড়াও কলেজের আরও দুই পড়ুয়ার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নির্যাতিতা ছাত্রী। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছিলেন কলেজের এক নিরাপত্তারক্ষীর নামও। এই চার জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করে।

কসবা-কাণ্ডের তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত এবং নির্যাতিতার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছিল কলকাতা পুলিশ। পরে তা ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় দু’জনের ঘটনাস্থলে উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। পুলিশ আদালতে দাবি করে, নির্যাতিতার পোশাক থেকে সংগৃহীত রক্তের নমুনা এবং মূল অভিযুক্তের শরীরের রক্ত নমুনার ডিএনএ রিপোর্ট মিলে গিয়েছে। ধর্ষণের সময়ে মূল অভিযুক্তের গায়ে একাধিক ক্ষত সৃষ্টির কথাও তদন্তে উঠে আসে। তার ভিত্তিতেই চার্জগঠন হয়েছে।

Advertisement

চার জনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় চার্জ গঠিত হয়েছে। গণধর্ষণ ছাড়াও জোর করে আটকে রাখা, অপহরণ, আঘাত করা এবং প্রমাণ লোপাটের মতো অভিযোগ রয়েছে চার্জে। ৮৩ জন সাক্ষীর মধ্যে সকলের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে কসবা-কাণ্ডের শাস্তিঘোষণা করতে পারে আলিপুর আদালত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement