coronavirus

‘গ্রিন জ়োন’ হওয়ার পথে বেলগাছিয়া বস্তি এলাকা

শুক্রবার রাত পর্যন্ত সেখান থেকে নতুন করে কেউ আক্রান্ত না হওয়ার খবর এলে আজ, শনিবার ওই এলাকা গ্রিন জ়োনে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন পুর প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২০ ০২:৫৩
Share:

ছবি:পিটিআই

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জেলা হিসেবে কলকাতা রেড জ়োন হলেও কলকাতা পুলিশ এবং পুর প্রশাসন করোনা আক্রান্তের হিসেবে শহরকে রেড, অরেঞ্জ এবং গ্রিন— এই তিনটি জ়োনে ভাগ করেছে। সেই হিসেব অনুযায়ী বর্তমানে কলকাতায় রেড জ়োনের সংখ্যা ২১৬। অরেঞ্জ জ়োন ৭০। গ্রিন জ়োনের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৭। কলকাতা পুর এলাকার এক নম্বর বরোর অধীন বেলগাছিয়া বস্তিতে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত ছিল পুর প্রশাসন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত সেখান থেকে নতুন করে কেউ আক্রান্ত না হওয়ার খবর এলে আজ, শনিবার ওই এলাকা গ্রিন জ়োনে চলে যাবে বলে জানিয়েছেন পুর প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম।

Advertisement

এ দিন শহরের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হয় পুর ভবনে। ওই বৈঠকে বলা হয়, দিন কয়েক আগেও শহরে ৩৭৩টি রেড এবং অরেঞ্জ জ়োন ছিল। ১৩ মে পর্যন্ত কলকাতায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১২৬। ওই দিন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছিলেন ৩৪১ জন। মারা গিয়েছিলেন ৮৮ জন। কো-মর্বিডিটির কারণে মৃত্যু হয়েছিল আরও ৫২ জনের। আর অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৪৫।

শুক্রবার, ১৫ মে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ১২০০। সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৪২৬ জন। মৃত্যুর সংখ্যা ৯৯। কো-মর্বিডিটির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা রয়ে গিয়েছে বাহান্নতেই। সেই হিসেবে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা কমে হয়েছে ৬২৩। আর এই সংখ্যা কমে যাওয়ায় শহরে রেড জ়োনের সংখ্যাও কমে হয়েছে ২১৬।

Advertisement

আরও পড়ুন: করোনা-ভয়ে মেডিক্যালে রোগী ‘হয়রানি’ চলছেই

আরও পড়ুন: রেড জ়োনে রেশনের কুপনের আবেদনে দীর্ঘ লাইন

ফিরহাদ জানান, কলকাতা পুর এলাকার বাসিন্দাদের জন্য নিউ টাউনে কোয়রান্টিন কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আজ, শনিবার থেকে সেখানে কাউকে কোয়রান্টিনে পাঠানোর প্রয়োজন হলে তা করা যাবে। ওই কেন্দ্রে চিকিৎসা ও খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করবে পুরসভা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement