Manohar Academy School

প্রথম বড় পরীক্ষাই উচ্চ মাধ্যমিক, পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস স্কুলে

উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্টেও অনেকের ফল ভাল হয়নি। বড় পরীক্ষায় বসার অনভিজ্ঞতায় আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে কারও কারও। কেউ আবার মনে করছে, আরও ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৩ ০৬:৫৩
Share:

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা ভেবেই বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া মনোহর অ্যাকাডেমি। প্রতীকী ছবি।

২০২১ সাল। করোনার দাপটে বন্ধ ছিল শিক্ষাঙ্গন। সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে সে বছর মাধ্যমিক হয়নি। জীবনের প্রথম বোর্ডের পরীক্ষায় না বসেই মাধ্যমিক পাশ করে গিয়েছিল সবাই। সেই পড়ুয়ারাই স্কুলজীবনের দ্বিতীয় ধাপের প্রথম বড় পরীক্ষা উচ্চ মাধ্যমিকে বসতে চলেছে চলতি বছরে।

Advertisement

উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্টেও অনেকের ফল ভাল হয়নি। বড় পরীক্ষায় বসার অনভিজ্ঞতায় আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে কারও কারও। কেউ আবার মনে করছে, আরও ভাল ভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল। পরীক্ষার্থীদের এমন মানসিক দোটানা বিবেচনা করে শহরের কয়েকটি স্কুল তাদের জন্য বিশেষ ক্লাস নিতে শুরু করেছে।

এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষ করতে যথেষ্ট তাড়াহুড়ো করতে হয়েছে। কারণ, করোনার জন্য ২০২২ সালের শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে দেরিতে। পড়ুয়াদের অসুবিধার কথা ভেবেই বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে উত্তর কলকাতার বেলগাছিয়া মনোহর অ্যাকাডেমি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল চক্রবর্তী বলেন, ‘‘ডিসেম্বরে বিশেষ ক্লাস হয়েছে। জানুয়ারিতেও কয়েকটা বিশেষ ক্লাস করানো হচ্ছে।’’

Advertisement

পুজোয় টানা অনেক দিন ছুটি মিলেছিল। তখন অনলাইনে বিশেষ ক্লাস হলেও এ বার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের টেস্টের ফলাফল দেখে চিন্তিত তাঁরা, এমনটাই জানাচ্ছেন কয়েকটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। অনেকেই টেনেটুনে পাশ করেছে। এই পরীক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতকার্য হতে পারবে কি না, সেটাই সংশয়ে রেখেছে অনেক শিক্ষককে।

এক প্রধান শিক্ষকের আক্ষেপ, ‘‘আমাদের স্কুলের কয়েক জন পড়ুয়ার টেস্টের ফল খুব খারাপ। পড়াশোনায় মনোনিবেশ না করলে ওদের পক্ষে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা কঠিন হবে।’’ তিনি জানাচ্ছেন, স্কুলের অধিকাংশ পরীক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ না হলে তখন পর্ষদকে জবাবদিহি করতে হয়। জানাতে হয়, কেন ফল খারাপ হল? ফলে, স্কুলের নিজের গরজেই বিশেষ ক্লাস নিতে হচ্ছে। আবার সন্তোষপুরের ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা নিজেরাই শিক্ষিকাদের জানাচ্ছে, তাদের কী কী বিষয়ের ক্লাস দরকার। প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী সেন বলেন, ‘‘শিক্ষিকারাও দেখেছেন, ছাত্রীদের কোন বিষয়ের ক্লাস আরও দরকার। আমাদের স্কুলে এখন নিয়মিত রসায়ন, জীববিদ্যা, অঙ্ক, ইংরেজি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানেরক্লাস হচ্ছে।’’

উচ্চ মাধ্যমিকের পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদেরকথাও ভাবছে বাঙুরের নারায়ণ দাস বাঙুর মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাজ় স্কুল। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলছেন, ‘‘ওদের অনলাইনক্লাস নেওয়া হয়েছিল পুজোর ছুটিতে। শুধু উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement