দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক। —সজল চট্টোপাধ্যায়।
বিভিন্ন কারণে বেশ কয়েক বার পিছিয়ে গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক তৈরির নির্দিষ্ট সময়সীমা। অবশেষে কাজ শেষ করে মঙ্গলবার কেএমডিএ-র হাতে স্কাইওয়াকের দায়িত্বভার তুলে দিল নির্মাণকারী সংস্থা। পাশাপাশি, রাইটসের তরফে দেওয়া হল সুরক্ষার ছাড়পত্র।
কালীপুজোর আগের দিন, আগামী ৫ নভেম্বর ওই স্কাইওয়াকটি উদ্বোধন হওয়ার কথা। তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি় খতিয়ে দেখতে এ দিন দক্ষিণেশ্বরে গেলেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। স্কাইওয়াকটি ঘুরে দেখে ফিরহাদ বলেন, ‘‘বেশ কয়েক বার আটকে যাওয়ার পরে অবশেষে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। দক্ষিণেশ্বরে প্রথম স্কাইওয়াক তৈরি হল, এর পরে ভবিষ্যতে আরও হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্কাইওয়াক উদ্বোধনের আগে প্রকল্পের আশপাশে কয়েকটি জায়গায় সৌন্দার্যায়ন এবং কিছু সাফাই কাজের বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ।
২০১৫ সালের মাঝামাঝি দক্ষিণেশ্বরে স্কাইওয়াকের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু কাজ শুরু করতে গিয়ে রাস্তার দু’ধারের দোকানদারদের বাধার মুখে পড়তে হয় প্রশাসনকে। এর পরে আইনি জটিলতা কাটিয়ে ওই বছরের শেষের দিকে স্কাইওয়াক তৈরির কাজ শুরু হয়। তবে এর পরেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহ বিভিন্ন কারণে কাজে দেরি হয়েছে।
এ দিন ফিরহাদের সঙ্গেই স্কাইওয়াকটি ঘুরে দেখেন কামারহাটির চেয়ারম্যান গোপাল সাহা, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের অছি ও সম্পাদক কুশল চৌধুরী। পরে গোপালবাবু বলেন, ‘‘সব কাজই মোটামুটি শেষ। কালীপুজোর পরে লটারির মাধ্যমে দোকান ঘরগুলি বণ্টন করা হবে।’’