Golpark Chaos

গোলপার্কে গুলিবোমাকাণ্ডে গ্রেফতার আরও এক, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০! তবে এখনও অধরা মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু

গত রবিবার কলকাতায় রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কে কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে পাপ্পুর দলবলের নাম।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২০
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

গোলপার্কে গন্ডগোলের ঘটনায় আরও এক জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম শম্ভু শিকারি ওরফে পটলা। বছর পঁয়ত্রিশের এই যুবককে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার এটি চ্যাটার্জি রোড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তবে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার এখনও অধরাই।

Advertisement

গত রবিবার কলকাতায় রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার গোলপার্কে কাঁকুলিয়া রোডে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই গোলমালের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়ায় বার বার উঠে এসেছে পাপ্পুর দলবলের নাম। সোনা পাপ্পুর দলবলই এলাকায় এসে গন্ডগোল পাকিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের। রবিবার রাতের গন্ডগোলে রবীন্দ্র সরোবর থানায় বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়। এর মধ্যে পুলিশের গাড়িতে হামলার জন্য একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও রয়েছে।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ঝামেলার সূত্রপাত হয়। গোলপার্কের কাছে পঞ্চাননতলায় একটি ক্লাবের পিকনিক হচ্ছিল। সেখানে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল বাধে। জানা যাচ্ছে, স্থানীয় ব্যবসায়ী বাপি হালদারের গোষ্ঠীর সঙ্গে গোলমাল বেধেছিল সোনা পাপ্পুর দলবলের। এলাকাবাসীদের কাছে ব্যবসায়ী হিসাবেই পরিচয় বাপির। ওই স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সোনা পাপ্পুর দলবল এলাকা দখল করতে চাইছে। সেই কারণেই বাপিকে ‘টার্গেট’ করছে তাঁর দল।

Advertisement

অভিযোগ, রবিবার রাতে প্রায় ১০০-১৫০ জন দুষ্কৃতী মুখে রুমাল বেঁধে এলাকায় চড়াও হয়। গুলি চালানো এবং বোমাবাজির অভিযোগও ওঠে। হামলা করা হয় ধারালো অস্ত্র নিয়েও। রাস্তায় পুলিশের গাড়ি এবং স্থানীয়দের বাইকও ভাঙচুর করা হয়। ছোড়া হয় ইটও। সেই রাতেই রাস্তা থেকে গুলির খোল এবং বোমার সুতলি উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার পাপ্পু ফেসবুক লাইভ করেন। তাতে দেখা গিয়েছে, একটি গাড়ির ভিতরে তিনি বসে রয়েছেন। শুরুতেই তিনি দাবি করেন, লাইভ করা তিনি পছন্দ করেন না। কিন্তু ‘বাধ্য’ হয়েই তা করছেন। কেন, তা-ও জানান। তিনি বলেন, ‘‘রবিবারের পর থেকে শুনছি, সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে। কারণ, সে নাকি কোথায় ঝামেলা করেছে।’’ এর পরেই পাপ্পু দাবি করেন, রবিবার রাতে ঘটনাস্থলে তিনি ছিলেন না। তাঁর কথায়, ‘‘রবিবার আমার বাড়িতে মাঘী পূর্ণিমার পুজো ছিল। সকাল থেকে পুজোয় বসেছিলাম উপোস করে। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পুজোয় ছিলাম। আমার বাড়ির ক্যামেরায় (সিসি) আমাকে দেখা গিয়েছে। আমার স্ত্রী লাইভ করছিলেন। সকলে দেখেছেন। সশরীরে বাড়ির পুজোয় থাকলে ঝামেলায় কী ভাবে যাব?’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement