রাক্ষুসে ধস নেমে রাস্তা বন্ধ আনন্দপুরে

ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের লাগোয়া আনন্দপুর রোডে ধস নামল। পুলিশি সূত্রের খবর, সোমবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ওই রাস্তায় একটি বেসরকারি বাসের পিছনের চাকা হঠাৎ বসে যায়। রাস্তার মাঝখানে প্রথমে ধস নামে প্রায় আট বর্গফুট এলাকা জুড়ে। পরে ধসের কারণ চিহ্নিত করতে পুরসভা মাটি খুঁড়তে গেলে আরও বড় ধস নামে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০১৫ ০৩:৩২
Share:

বাইপাসের কাছে আনন্দপুর রোডে ধস দেখতে রাতেই হাজির মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।—নিজস্ব চিত্র।

ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের লাগোয়া আনন্দপুর রোডে ধস নামল। পুলিশি সূত্রের খবর, সোমবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ ওই রাস্তায় একটি বেসরকারি বাসের পিছনের চাকা হঠাৎ বসে যায়। রাস্তার মাঝখানে প্রথমে ধস নামে প্রায় আট বর্গফুট এলাকা জুড়ে। পরে ধসের কারণ চিহ্নিত করতে পুরসভা মাটি খুঁড়তে গেলে আরও বড় ধস নামে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ধসের আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গফুট এবং গভীরতা পাঁচ ফুট। ধসে যাওয়া এলাকা জলে ভর্তি। যানবাহনের জট ছড়িয়েছে বাইপাসেও। আনন্দপুর রোডের একটা দিক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারেরা রাস্তা মেরামতির তদারক করছেন।

Advertisement

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটির বাঁ দিকের চাকা মাটির পুরোপুরি বসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে উঠতে থাকে জল। বাসটি বাঁ দিকে কাত হয়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে নেমে আসেন। আতঙ্ক ছড়ায় এলাকার লোকজনের মধ্যেও। ঘটনাস্থলের কাছেই ছিলেন ফুল ব্যবসায়ী লক্ষ্মণ মণ্ডল। তিনি বললেন, ‘‘যাত্রী কম থাকায় বাসটি আজ বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে।’’

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে আসেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, মেয়র-পারিষদ (রাস্তা) রতন দে এবং অন্য পুর আধিকারিকেরা। মেয়র বলেন, ‘‘রাস্তাটি কেএমডিএ-র অধীন। ধসে যাওয়া অংশে মাটির প্রায় ১৮ ফুট নীচে রয়েছে নিকাশির পাইপলাইন। রাস্তার উল্টো দিকে মাটির নীচে থাকা জলের লাইন, নাকি নিকাশির পাইপ ফেটে ধস নামল, নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement