সহপাঠীকে ‘ছুরি’, গ্রেফতার ছাত্র

সহপাঠীকে ছুরি মারার অভিযোগে শুক্রবার গ্রেফতার হলেন সল্টলেক হোমিওপ্যাথি কলেজের এক ছাত্র। ধৃতের নাম যতীন রাজ। আহত ছাত্র হন্সলে সাংমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনআরএসে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হন্সলের পেটে গভীর ক্ষত থাকায় জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০১৬ ০১:২৭
Share:

সহপাঠীকে ছুরি মারার অভিযোগে শুক্রবার গ্রেফতার হলেন সল্টলেক হোমিওপ্যাথি কলেজের এক ছাত্র। ধৃতের নাম যতীন রাজ। আহত ছাত্র হন্সলে সাংমাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এনআরএসে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হন্সলের পেটে গভীর ক্ষত থাকায় জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক। এ দিনই ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে ৪ দিনের পুলিশি হেফাজত দেওয়া হয়।

Advertisement

পুলিশ জানায়, জেসি ব্লকের একটি বাড়িতে পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকতেন সল্টলেকের হোমিওপ্যাথি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র যতীন এবং হন্সলে। যতীন দিল্লির বীরনগর কলোনির ও হন্সলে মেঘালয়ের বাসিন্দা। তদন্তে জানা গিয়েছে, দু’জনেই কালীঘাটের একটি যৌনপল্লিতে যাতায়াত করতেন। সম্প্রতি সেখানে এক মহিলার সঙ্গে দু’জনেরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। তা নিয়েই সম্ভবত তাঁদের মনোমালিন্য চলছিল। বুধবার রাতে বিবাদ চরমে ওঠে। ওই মহিলাকে নিয়ে দু’জনের বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। জেসি ব্লকের ওই বাড়ির সামনেই দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। অভিযোগ, আচমকা হন্সলের পেটে ধারালো ছুরি ঢুকিয়ে দেন যতীন। ওই বাড়িতে থাকা অন্য ছাত্রেরা আহতকে এনআরএসে নিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় যতীন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হন্সলের এক অভিভাবক সল্টলেক দক্ষিণ থানায় যতীনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করেন। শুক্রবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার গৌরাঙ্গনগর থেকে যতীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে যে অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, তা উদ্ধার হয়নি। বিধাননগর পুলিশের এক কর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, ত্রিকোণ সম্পর্কের জেরেই এই ঘটনা। তবে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement