পালিতা মায়ের হাতে নিগৃহীত শিশু বারাসতের হোমে

বাবা-মা-র সঙ্গে থাকাটা এ বারেও হল না তার। নিজের বাবা-মাকে আগেই হারিয়েছিল সে, এ বার হারাল ‘দত্তক’ বাবা-মাকে। আবার ঠাঁই-হারা হতে হল তার পালিত মা সন্ধ্যা সেনের অত্যাচারে। অভিযোগ উঠেছে, তার পালিতা মা ছ’বছরের শিশুকন্যার গোপনাঙ্গে মুঠো করে লঙ্কার গুঁড়ো ঢুকিয়ে দেয়। শিশুটির অপরাধ? ঘুমের মধ্যে সে মাঝেমধ্যে বিছানা ভিজিয়ে ফেলে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৫ ১৬:১১
Share:

আক্রান্ত শিশু।

বাবা-মা-র সঙ্গে থাকাটা এ বারেও হল না তার। নিজের বাবা-মাকে আগেই হারিয়েছিল সে, এ বার হারাল ‘দত্তক’ বাবা-মাকে। আবার ঠাঁই-হারা হতে হল তার পালিত মা সন্ধ্যা সেনের অত্যাচারে। অভিযোগ উঠেছে, তার পালিতা মা ছ’বছরের শিশুকন্যার গোপনাঙ্গে মুঠো করে লঙ্কার গুঁড়ো ঢুকিয়ে দেয়। শিশুটির অপরাধ? ঘুমের মধ্যে সে মাঝেমধ্যে বিছানা ভিজিয়ে ফেলে। গত শুক্রবার, ১৯ জুনের এই ঘটনার পরে গুরুতর অসুস্থ শিশুটিকে আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ তাকে পাঠানো হল বারাসতের এক হোমে।
বাবা মারা গিয়েছিলেন শিশুটির। নিজের মা তাকে ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিলেন। চার বছর আগে তার এক পিসি পূর্ণিমা দাসের থেকে তাকে নিয়ে আসে টিটাগড়ের বিধানপল্লির বাসিন্দা শ্যামল সেন ও সন্ধ্যা সেন নামে এক নিঃসন্তান দম্পতি। যদিও কোনও সরকারি নিয়ম মেনে তারা এই দত্তক নেয়নি। কোনও বৈধ কাগজপত্রও তাদের কাছে ছিল না। এই ঘটনার পরে পূর্ণিমাদেবী ‘চাইল্ড লাইন’-এ ফোন করে অভিযোগ জানান ওই দম্পতির বিরুদ্ধে। তাদের বিরুদ্ধে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন আইনে মামলাও দায়ের হয়। বুধবার ব্যারাকপুর আদালত শ্যামল সেনকে জামিন দিলেও শিশুটির পালিতা মা সন্ধ্যা সেনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। শরীর আগের চেয়ে অনেকটা সুস্থ হলেও আতঙ্ক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি শিশুটি। চিকিত্সকেরা জানিয়েছেন, ভয় কাটাতে শিশুটির মানসিক কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement