ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো

চার দিনে জমি না মিললে কোর্টে যাবে কেএমআরসি

রাজ্য সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে মহাকরণ স্টেশনের জন্য জমি না দিলে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিল কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন বা কেএমআরসি-র ঠিকাদার সংস্থা। শুক্রবার দেওয়ালির দিনে হাওড়া ময়দানে পুজো করে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ শুরু করে ওই সংস্থা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ০০:০২
Share:

রাজ্য সরকার আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে মহাকরণ স্টেশনের জন্য জমি না দিলে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুমকি দিল কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন বা কেএমআরসি-র ঠিকাদার সংস্থা। শুক্রবার দেওয়ালির দিনে হাওড়া ময়দানে পুজো করে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ শুরু করে ওই সংস্থা। সংস্থার প্রোজেক্ট ম্যানেজার পিপি বনি এ দিন বলেন, “পুরনো নকশা অনুযায়ী ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর কাজে এখন প্রধান জট হয়ে দাঁড়িয়েছে মহাকরণ স্টেশনের জমি। রাজ্য সরকারের সেই জমি দেওয়ার কথা মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর। ওই দিনের মধ্যে জমি না পেলে ফের হাইকোর্টে যাব।”

Advertisement

গত ২৫ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট কেএমআরসি-র ঠিকাদার সংস্থা অ্যাফকন্সকে পুরানো নকশা অনুযায়ী অবিলম্বে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টের বিচারপতি নাদিরা পাথেরিয়া ওই দিন এই নির্দেশ দিয়ে জানান, যে কোনও শুভ দিন দেখে হাওড়ার দিক থেকে কাজ শুরু করে রেলওয়ে বোর্ডকে জানাতে। সেই মতো শুক্রবার সকাল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর প্রস্তাবিত প্রান্তিক স্টেশন হাওড়া ময়দানে রীতি মতো ম্যারাপ বেঁধে বেশ ঘটা করে পুজোর আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষে হাওড়ায় আসেন কেএমআরসি ও তার ঠিকাদার সংস্থার পদস্থ কর্তারা। কেএমআরসি-র চিফ ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বনাথ দোয়ানজি জানান, প্রায় দেড় বছর পরে আদালতের নির্দেশে কাজ শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু জন্য ৭০ মিটার পর্যন্ত মাটি কাটার উপযুক্ত ‘গ্র্যাব’ মেশিন-সহ বুলডোজার মেশিন নিয়ে আসা হয়েছে। প্রথমে ‘গাইড ওয়াল’ তৈরি হবে। কাজ শুরু হলেই বন্ধ করা হবে বঙ্গবাসীর উল্টোদিকে নিত্যধন মুখার্জি রোড। হাওড়া ময়দান থেকে জিটি রোডও সারাক্ষণের জন্য একমুখী হবে।

এ দিন পুজানুষ্ঠানে উপস্থিত কেএমআরসি-র ঠিকাদার সংস্থার কর্তাদের বক্তব্য, মেট্রোর কাজ শেষ করতে গেলে হাওড়া ও কলকাতা দু’দিক থেকেই একসঙ্গে কাজের অগ্রগতি না হলে লাভ নেই। কিন্তু পুরোদমে কাজ শুরু করতে প্রয়োজন মহাকরণ স্টেশনের জমির ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেত। আগামী ২৮ তারিখের মধ্যে তা রাজ্য সরকারের জানাবার কথা। না জানালে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে সংস্থা। কারণ তাঁরা দ্রুত কাজ শেষ করতে চায়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement