—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
হকার উচ্ছেদের প্রশ্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আগে জায়গা খালি করতে হবে। তার পরে বিকল্পের বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করা হতে পারে। এই আবহে পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ বন্ধের দাবিকে সামনে রেখে সোমবারও পথের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখল সিপিএম-সহ বামেরা।
উচ্ছেদ রুখতে হাবড়া স্টেশনে বুলডোজ়ারের সামনে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন সিপিএম ও সিটু নেতৃত্ব। রেল পুলিশের সঙ্গে দফায়-দফায় আলোচনা চলে বাম নেতাদের। পাশাপাশি, উচ্ছেদের প্রতিবাদে সিপিএম, সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন-সহ বিভিন্ন বাম দলের ডাকে এ দিন রাজ্যের নানা প্রান্তের মতো যাদবপুরে বিক্ষোভ-সমাবেশ হয়েছে। যোগ দিয়েছিলেন লিবারেশনের কলকাতা জেলা সম্পাদক অতনু চক্রবর্তী, সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য-সহ অন্যেরা। দুর্গানগর স্টেশন ও বাজারে উচ্ছেদের প্রতিবাদে সেখানেও প্রতিবাদ মিছিল করেছে বামেরা। যোগ দিয়েছিলেন গার্গী চট্টোপাধ্যায়, পলাশ দাস, ময়ূখ বিশ্বাস, দীপ্সিতা ধর-সহ সিপিএম নেতৃত্ব। ময়ূখের অভিযোগ, “বাংলায় বুলডোজ়ার-রাজ চলছে। বড় পুঁজির স্বার্থে নির্মম কায়দায় গরিবের পেটে লাথি মারছে বিজেপি।” যে ভাবে হকার উচ্ছেদ চলছে, তা সংবিধান বিরোধী কাজ বলে অভিযোগ তুলেছেন দীপ্সিতাও। একই বিষয়ে মিছিল, বিক্ষোভ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার হৃদয়পুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পোলেরহাট বাজারে। উচ্ছেদ-প্রশ্নে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানকে তীব্র আক্রমণ করেছে সিপিএম। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, আগে উচ্ছেদ, পরে পুনর্বাসন। মৃত্যুদণ্ডের পরে বিচার, না কি বিচারের পরে শাস্তি? স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী একদা স্টেশনে চা বিক্রি করতেন। সেটাও বেআইনি?”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে