মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।
সপ্তম তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই সামনে এল সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের এগ্জিট পোল বা বুথফেরত সমীক্ষার ফলাফল। বিভিন্ন সমীক্ষায় বিভিন্ন ফল পাওয়া গেলেও মোটের উপর স্পষ্ট, বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবে অ্যাডভান্টেজে আছে বিজেপি নেততৃত্বাধীন এনডিএ জোটই। ফল সামনে আসার পরই এই ধরনের এগ্জিট পোলকে ‘গসিপ’ বলে ওড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে ফের সামনে আনলেন ইভিএম কারচুপির অভিযোগ।
প্রায় সবক’টি বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবেই মোটের উপর দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রে সরকার গড়ার লড়াইতে বাকিদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল নরেন্দ্র মোদীর সামনে ।
বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের গড় রক্ষা করতে অনেকটাই সফল তৃণমূল। বিজেপির আসন অনেকটা বাড়লেও সংখ্যার হিসেবে রাজ্যের রাশ থাকছে মমতার হাতেই। যদিও এই ফলাফলকে গসিপ বলে ওড়ালেন তিনি। বুথফেরত সমীক্ষার ফল সামনে আসার পরই তাঁর টুইট, ‘‘আমি এই বুথফেরত সমীক্ষার গসিপে বিশ্বাস করি না। গসিপ ছড়িয়ে দিয়ে হাজার হাজার ইভিএম পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। আমি সমস্ত বিরোধী দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী এবং সাহসী থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই লড়াই আমরা সবাই একসঙ্গে লড়ব।’’
আরও পড়ুন: ফের এনডিএ নাকি ইউপিএর প্রত্যাবর্তন? বিকল্পের সম্ভাবনা কতটা— কে কোন দিকে ঝুঁকে
পরে ফোনে এবিপি আনন্দকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘টোটাল গসিপ। এরা কেউ ভগবানের দূত নয়। এদের থিয়োরি বিশ্বাস করি না। এটা একটা চক্রান্ত। ইভিএম পাল্টে দিতে পারে। এটা আমার সন্দেহ। ইতিমধ্যেই আমার চার-পাঁচজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভাল করে পাহারা দিন। কোনওভাবেই যাতে ইভিএম পাল্টাতে না পারে।’’ তাঁর দাবি, পুরোটাই নরেন্দ্র মোদীর পরিকল্পনা, যাতে বিরোধী জোট বাঁধতে না পারে।