Lok Sabha Election 2019

খেজুরিতে দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

দিলীপের কনভয়ের সামনে বেশ কিছু কর্মী-সমর্থক বাইকে যাচ্ছিলেন। তেঁতুলতলা বাজারের কাছে বাইক মিছিল পৌঁছতেই আচমকা হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ মে ২০১৯ ২৩:২৪
Share:

আক্রান্ত দিলীপ ঘোষের গাড়ি। নিজস্ব চিত্র।

রোড-শো করে ফেরার পথে বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি।
দিলীপের গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি কাঁথি লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দেবাশীষ সামন্তের মুখে ঘুসি মারার অভিযোগও উঠেছে। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডলের। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের তেখালিতে রোড-শো ছিল দিলীপের। সন্ধ্যায় গাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মোটর বাইক মিছিল। স্থানীয় সূত্রে খবর, খেজুরির কুঞ্জপুরের তেঁতুলতলার কাছে এলাকার তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা বাধে। অভিযোগ, তখনই বাইক মিছিলে পিছনে থাকা দিলীপের গাড়িতে চড়াও হন খেজুরির তৃণমূল বিধায়ক রণজিৎ মণ্ডলের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। ওই দেহরক্ষী প্রকাশ্যে বন্দুক উঁচিয়ে দিলীপের কনভয়ের দিকে এগিয়ে যান। তারপরই তৃণমূলের লোকজন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির গাড়ি ভাঙচুর করে, বিজেপি-র চিকিৎসক প্রার্থী দেবাশীষকে মুখে ঘুসি মারা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

প্রতিবাদে দিলীপের নেতৃত্বে কুঞ্জপুর-হেঁড়িয়া রাস্তা অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পৌঁছয় খেজুরি থানার পুলিশ বাহিনী।
দিলীপ বলেন, ‘‘তৃণমূলের বিধায়ক, ওসি-র সামনেই হামলা হয়। আমাদের গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি, কর্মীদের মারধর করা হয়।’’ দিলীপের মতে, এতদিন কোনও বিরোধী দল এই এলাকায় ঢোকার সাহস দেখায়নি। বিজেপি সেটা করে দেখানোয় এত আক্রোশ।

Advertisement

দেবাশীষ বলেন, ‘‘তৃণমূল হঠাৎই হামলা চালায়। আমাদের দু’টি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। দলের কর্মীদেরও মারধর করেছে।’’
হামলার অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক রণজিৎ বলেন, ‘‘আমার দেহরক্ষী কখনওই বন্দুক দেখাননি। বরং ওঁকেই লাঠির বাড়ি মারা হয়েছে।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘কুঞ্জপুর বাজার লাগোয়া এলাকায় আমি বক্তৃতা করছিলাম। তখন বিজেপির কয়েকজন লাঠি নিয়ে আমার গাড়িতে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে দিলীপবাবু এলে উত্তেজনা ছড়ায়। পরে পুলিশ এবং র‌্যাফ তাঁদের কলাগেছিয়ার দিকে নিয়ে যায়।’’ পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, “দু’পক্ষের ঝামেলা পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে সামলে দিয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’’
ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

আরও পড়ুন: ভুল করে জঙ্গলে ঢুকে পড়েছিলাম, সাপ-পেঁচারা পথ দেখিয়েছিল: মমতা

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement