মুসকান ৩-এ উদ্ধার তিন শিশু শ্রমিক

বুধবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন মুসকান-৩’। প্রথম দিনেই মেদিনীপুর থেকে উদ্ধার করা হল তিন শিশু শ্রমিককে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জুলাই ২০১৬ ০১:২০
Share:

শিশু শ্রমিকের খোঁজে অভিযান। বুধবার মেদিনীপুরে।

বুধবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন মুসকান-৩’। প্রথম দিনেই মেদিনীপুর থেকে উদ্ধার করা হল তিন শিশু শ্রমিককে।

Advertisement

এ দিন সকাল থেকেই মেদিনীপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন, জজকোর্ট, কেরানিতলা-সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক প্রবীর সামন্ত, শিশু সুরক্ষা আধিকারিক সন্দীপ দাস, স্থানীয় কাউন্সিলর এবং শিশু কল্যাণ সমিতির সদস্য মৌ রায়।

তাঁরা বিভিন্ন দোকানে ঘুরে খোঁজ নেন শিশু শ্রমিক আছে কিনা। যে তিনটি শিশুকে এ দিন উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের প্রত্যেকেরই বয়স এগারো থেকে তেরো বছরের মধ্যে। আপাতত তাদের বাবা-মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ওই শিশুগুলিকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও ভাবছে প্রশাসন। জানা গিেয়ছে, ওদের স্কুলে ভর্তি করানো এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ায় পদক্ষেপ করবে প্রশাসন।

Advertisement

জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক প্রবীর সামন্ত জানান, সারা দেশে একসঙ্গে চলে এই ‘অপারেশন মুসকান’। মূলত হারিয়ে যাওয়া বা শিশুশ্রমিক হিসাবে কাজ করা শিশুদের উদ্ধার করে মূল স্রোতে ফেরানোই এর উদ্দেশ্য। অনেক সময়ই দেখা যায় শিশু পাচার চক্র কাজ করে অনেকগুলির রাজ্যে। ফলে কোথাও কোনও অভিযান হলে তড়িঘড়ি বাচ্চাদের অন্য রাজ্যে পাচার করে েদয় দুষ্কৃতীরা। এ জন্যই একসঙ্গে সারা দেশে চালানো হয় সাঁড়াশি অভিযান। ২০ অগস্ট পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।

শিশু সুরক্ষা আধিকারিক সন্দীপ দাস বলেন, ‘‘এই ধরনের অভিযানের ফলে দোকান মালিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে। তা ছাড়া হঠাৎ কোনও শিশু হারিয়ে গেলেও যে প্রশাসনকে জানাতে হবে তা নিয়েও সচেতনতা প্রয়োজন।’’


ছবি: সৌমেশ্বর মণ্ডল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement