বৃষ্টিতে বেহাল পথ। ঝাড়গ্রাম শহরের বাছুরডোবা এলাকায়। নিজস্ব চিত্র
বছর সতেরো আগে বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল ব্লকবাসী। তার পরে গত ২০২৪ সালে। ব্লকের কাঁসাই নদীর উত্তর দিকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতো অবস্থিত চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় দুর্বল বাঁধ ভেঙে হু-হু করে ঢুকেছিল জল। প্রস্তুতি না থাকায় বন্যা মোকাবিলায় কার্যত মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছিল প্রশাসনকে। এ বার বর্ষার আগেই এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম বাঁধ মেরামত ও নিকাশি নালা পরিষ্কারের উদ্যোগী হল প্রশাসন।
ডেবরা ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিন কয়েক আগে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বর্ষার আগে প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয় সেই বৈঠকে। প্রাথমিক জোর দেওয়া হয়েছে বাঁধ মেরামতির কাজে। বিশেষ করে লোয়াদা, গোলগ্রাম, মলিহাটি, ভবানীপুরের মতো নদী সংলগ্ন গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে গুরুত্ব দিয়ে এই কাজ করতে বলা হয়েছে সেচ দফতরকে। কারণ গত ২০২৪ সালে এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি জায়গা ভেঙে যায় দুর্বল বাঁধ। অনেককে আশ্রয় নিতে হয় বাঁধের উপরে। এ বার আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাঁধের যে অংশে গর্ত হয়ে গিয়েছে, গাছ গজিয়ে যাওয়ায় দুর্বল হয়েছে, সেখানে মেরামতির সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। সেই সঙ্গে পূর্ত দফতর ও সেচ দফতর যাতে নিকাশি নালা ও খাল পরিষ্কার করে সে বিষয়ে তৎপর হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম। দিন দু’য়েক ধরেই লোয়াদা, বালিচকের মতো এলাকা পরিদর্শনে নেমেছেন তিনি।
ডেবরার বিডিও প্রিয়ব্রত রাঢ়ী জানিয়েছেন, বাঁধ মেরামতি করার জন্য সেচ দফতরকে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও নালা, খাল সংস্কারের দিকটি বিধায়কের উদ্যোগে হবে। সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক শুভাশিস বলেন, “বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে সর্বত্র নিকাশি নালা, খাল জবরদখল হয়েছে। বহু বছর পরিষ্কার করা হয়নি সে গুলি। আমরা বর্ষার আগে মজে যাওয়া খাল ও নালা পরিষ্কার করব এবং সেখানে থাকা জবরদখল সরানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। পলি তোলার কাজ করবে সেচ দফতর। তবে পূর্ত দফতরের রাস্তার ক্ষেত্রে জবরদখল সরানোর কাজ পূর্ত দফতর করবে।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে