ব্যাঙ্ককর্মীর পরিচয় দিয়ে ফোন এসেছিল এটিএম কার্ডের নম্বর জানার জন্য। নম্বর বলেওছিলেন গৃহবধূ চন্দনা রায়। তারপরই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০ হাজার ৮০০ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে এমন ঘটনারই সাক্ষী থাকলেন নন্দকুমার থানার নারাদাঁড়ি গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ। চন্দনদেবীর এ বিষয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়ে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নারাদাঁড়ি গ্রামের বাসিন্দা গৃহবধূ চন্দনা রায়ের মোবাইলে শুক্রবার বিকেলে এক ব্যক্তি ফোন করেন। নিজেকে পরিচয় দেন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লোক হিসেবে। চন্দনাদেবীর ব্যাঙ্ক এটিএম কার্ড পুনর্নবীকরণ করার জন্য তাঁর কাছ থেকে কার্ডের নম্বর জানতে চান। চন্দনাদেবীর অভিযোগ, ‘‘নম্বর দিতে রাজি হইনি। তারপর কার্ড নম্বরের প্রথম কয়েকটি সংখ্যা বলার পরে আমার কাছে বাকি নম্বর জানতে চান। তখন আমি বিশ্বাস করে নম্বরটা বলে দিই। এরপরেই আমার মোবাইল ফোনে আসা মেসেজ দেখে জানতে পারি আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাঊণ্ট থেকে মোট ২০ হাজার ৮০০ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।’’
ব্যাঙ্ককর্মী পরিচয় দিয়ে ব্যাঙ্ক গ্রাহকদের কাছ থেকে এটিএম কার্ড নম্বর, এটিএম কার্ডের পিন নম্বর জেনে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়ার মতো ঘটনা রুখতে পুলিশের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে। এধরণের প্রতারণা চক্রে জড়িত অপরাধীদের ধরতে সাইবার ক্রাইম নিয়ে সম্প্রতি জেলার সব থানার ওসি’দের প্রশিক্ষণ দেওয়াও হয়েছে। সহায়তা। প্রতিবন্ধীদের সাহায্য করল দাসপুর-২ ব্লকের সোনাখালি মৈত্রী সঙ্ঘ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ৮৪ জন প্রতিবন্ধী রোগীকে হুইল-চেয়ার, ক্রাচ, হাঁটার সহায়ক লাঠি বিলি করা হয়। সঙ্ঘের সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থার আর্থিক সাহায্যে আমরা নানা সরঞ্জাম বিলি করেছি। ভবিষ্যতে আরও করব।”