Digha Jagannath Temple

দিঘায় রথযাত্রার মহড়া

গত বছর রাজ্য তৃণমূল সরকারের আমলে ৩০ এপ্রিল দিঘায় জগন্নাথ ধাম সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে বছর প্রথম রথযাত্রার সূচনাও করেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০১:২৫
Share:

পথে রথ। বৃহস্পতিবার দিঘায়। — নিজস্ব চিত্র।

প্রথম বার রথের চাকা থেকে খুলে গিয়েছিল লোহার বেড়ি। দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের রথের চাকায় তার পরে লাগানো হয়েছে টায়ার। এখন দ্বিতীয় বছরে সেই টায়ার পরানো চাকা নিয়ে জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রার রথযাত্রার মহড়া হয়ে গেল বৃহস্পতিবার।

গত বছর রাজ্য তৃণমূল সরকারের আমলে ৩০ এপ্রিল দিঘায় জগন্নাথ ধাম সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে বছর প্রথম রথযাত্রার সূচনাও করেছিলেন। কিন্তু জগন্নাথ দেবের রথের কাঠের চাকার উপর জড়ানোর লোহার বেড়ি খুলে গিয়েছিল মাঝ পথে। ফলে রথ বারবার থমকে যাচ্ছিল। ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে রথের চাকায় লোহার বেড়ি খুলে টায়ার পরানোর পরিকল্পনা করা হয়। সেই মতো গত বছর ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল সেই প্রক্রিয়া। প্রথমে একটি রথে টায়ার লাগিয়ে সফলভাবে মহড়া হয়েছিল। তারপর বাকি দুটো রথের চাকাতেও টায়ার পরানো হয়। এত দিন মন্দিরের উত্তর দিকে রাখা হয়েছিল তিনটি রথ।

এ দিন দুপুরে মন্দিরের ৬ নম্বর গেট দিয়ে রথ তিনটি বের করে নিয়ে আসা হয় চৈতন্যদ্বার পর্যন্ত। সেখান থেকে মন্দিরের দু’নম্বর গেটে নিয়ে গিয়ে ফের রাখা হয়। প্রাথমিকভাবে চৈতন্য দ্বারের উত্তর দিকে একটি বিদ্যুতের লাইন থাকার কারণে মহড়ায় কিছুটা সমস্যা হয়। তবে পরে নির্বিঘ্নে তা সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে। মহড়ায় মন্দির কমিটির সদস্য, পুলিশ এবং দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের কর্মীরা হাজির ছিলেন। মহড়ার দায়িত্বে থাকা কাঁথির মহকুমাশাসক প্রতীক অশোক ধূমাল বলেন, ‘‘তিনটি রথই ঠিকঠাক মাসির বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছে। সেখান থেকে মন্দির পর্যন্ত নিয়ে আসা হয়েছে।’’

প্রশাসন ও ট্রাস্ট কমিটির সূত্রের খবর, আগামী ১৬ জুলাই দু’নম্বর গেটের সামনে থেকে রথযাত্রার সূচনা হবে। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিশির অধিকারীর। রথযাত্রায় না থাকলেও উল্টো রথে দিঘায় থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।

এ বছর রথে প্রচুর সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারেন বলে আশাবাদী প্রশাসন। তাই দুর্ঘটনা ঠেকাতে সড়কের দু’দিকে ব্যারিকেড করা হবে। যাতে ফুটপাত দখল না হয়ে যায়, সে জন্য ইতিমধ্যে মাসির বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় লোহার ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। বাকি অংশে বাঁশ দিয়ে অল্প উঁচু ব্যারিকেড করা হবে। মন্দির থেকে মাসির বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা আলো দিয়ে সাজানো হবে। সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে। ভক্ত সমাগমের কথা মাথায় রেখে পর্যাপ্ত পানীয় জল, শৌচাগার, প্রাথমিক চিকিৎসার বন্দোবস্ত থাকছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন