Harrasment

কেরলে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ, অসমের বাসিন্দাকে পাকড়াও করল খড়্গপুর জিআরপি

অসমের বাসিন্দা আবুল হোসেন (৪০) কর্মসূত্রে থাকতেন কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কুন্নাথুন্ডু থানা এলাকায়। কেরল পুলিশের এসআই মুরলীধরণ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত যে বাড়িতে থাকতেন তার উল্টো দিকেই ‘নির্যাতিতা’ নাবালিকার বাড়ি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:২০
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত অসমের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে জারি ছিল হাই অ্যালার্ট। অসমগামী ট্রেনে চেপে পালাতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন তিনি। ওড়িশা থেকে অনুসরণ করে ওই ব্যক্তিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থেকে গ্রেফতার করল খড়্গপুর জিআরপি।

Advertisement

অসমের বাসিন্দা আবুল হোসেন (৪০) কর্মসূত্রে থাকতেন কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কুন্নাথুন্ডু থানা এলাকায়। কেরল পুলিশের এসআই মুরলীধরণ জানিয়েছেন, অভিযুক্ত যে বাড়িতে থাকতেন তার উল্টো দিকেই ‘নির্যাতিতা’ নাবালিকার বাড়ি। অভিযোগ, নাবালিকাকে একাধিক ভাবে ভয় দেখিয়ে তাকে লাগাতার ধর্ষণ করেন অভিযোগ নাবালিকাকে নানান ধরনের ভয় দেখিয়ে ওই ব্যক্তি লাগাতার ধর্ষণ করেন আবুল। কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেন। লাগাতার ধর্ষণের জেরে নাবালিকা একসময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। অবশেষে পরিবারের সদস্যদের সব জানায় সে।

গত ১২ জানুযারি পরিবারের পক্ষ থেকে কুন্নাথুন্ডু থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযুক্তকে ধরার জন্য তিনি যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন সেই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্ত চম্পট দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেরল পুলিশের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে গত ১৩ জানুয়ারি খড়গপুর জিআরপির একটি দল ওড়িশার বালেশ্বর স্টেশন থেকে অসমের ডিব্রুগড়গামী বিবেক এক্সপ্রেসে উঠে অভিযুক্তকে অনুসরণ করতে শুরু করে। সেই ট্রেন পশ্চিমবঙ্গের দাঁতন স্টেশনে পৌঁছোতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় খড়্গপুর জিআরপি থানায়। খবর পাঠানো হয় কেরল পুলিশের কাছে। ১৫ জানুয়ারি কেরলের পুলিশ খড়্গপুরে এলে জিআরপি অভিযুক্তকে কেরলের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ওই রাজ্যের পুলিশের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানানো হয়। জিআরপি সূত্রে খবর, অভিযুক্তকে নিয়ে কেরল পুলিশের দল রওনা দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে এসআরপি (খড়্গপুর) দেবশ্রী সান্যাল বলেন, ‘‘কেরলের একটি মামলায় এক পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কেরল পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement