Death in Train

এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে উদ্ধার মৃতদেহ! মেদিনীপুর স্টেশনে হইচই, কী ভাবে মৃত্যু কর্নাটকের বাসিন্দার? শুরু তদন্ত

আদ্রা-হাওড়া রানি শিরোমণি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ছিলেন জনৈক মালাপ্পা। পুরুলিয়ার আদ্রা রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৫
Share:

মেদিনীপুর স্টেশনে এক্সপ্রেস ট্রেন ঢুকতেই তড়িঘড়ি একটি কামরায় যান রেলকর্মীরা। —নিজস্ব ছবি।

এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে উদ্ধার এক বয়স্ক যাত্রীর দেহ। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর স্টেশনে। রেল সূত্রে খবর, মৃতের বাড়ি কর্নাটকে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।

Advertisement

আদ্রা-হাওড়া ডাউন রানি শিরোমণি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ছিলেন জনৈক মালাপ্পা। পুরুলিয়ার আদ্রা রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ মেদিনীপুর স্টেশনে ওই ট্রেন পৌঁছোনোর পর কামরা থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই যাত্রীকে। রেলের চিকিৎসকেরা তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করে জানান, মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধের। কয়েক জন সহযাত্রী জানান, শালবনি স্টেশনে ট্রেন পৌঁছোনোর সময় থেকে বমি করতে শুরু করেছিলেন ওই ব্যক্তি। গোদাপিয়াশাল স্টেশনের কাছে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। তাঁরা রেলকর্মীদের খবর দেন। তার পর প্যানেল থেকে খবর যায় মেদিনীপুর স্টেশনে। ওই স্টেশনে ট্রেন পৌঁছোতেই আরপিএফ কর্মীরা ট্রেনে ওঠেন। বৃদ্ধকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।

কী ভাবে বা কী কারণে বৃদ্ধের মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মালাপ্পার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আরপিএফের এক আধিকারিক জানান, সকালে শিরোমণি এক্সপ্রেস থেকে এক বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর বাড়ি কর্নাটকের যোদাগির জেলায়। সেখানে যোগাযোগ করা হচ্ছে। মৃতের ব্যাগ থেকে একটি আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে। সেখান থেকেই নাম-পরিচয় জানা যায়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement