জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত হল মেদিনীপুরে। বুধবার জেলার পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ দফতরে এক অনুষ্ঠান হয়। ছিলেন জেলার কৃষি আধিকারিক প্রভাতকুমার বসু, অধ্যাপিকা চন্দ্রিমা চক্রবর্তী, অধ্যাপক সুজিত দে প্রমুখ। এ দিন ছিল পরিসংখ্যান দিবসের দশম বর্ষ। অধ্যাপক প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের জন্মদিবস উদ্যাপন করা হয়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দিনটির গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝান প্রভাতবাবু, চন্দ্রিমাদেবীরা।
কলকাতার বাইরে এ বারই প্রথম জেলায় জেলায় জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালন হল। অনুষ্ঠানে স্কুল- কলেজের ছাত্রছাত্রীরা যোগ দেন। ছিলেন কৃষকেরাও। মহলানবিশের অবদানকে সমাজের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। এদিন ষষ্ঠ আর্থিক গণনা প্রকাশিত হয়। সঙ্গে ছিল দফতরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার তালিকা এবং নমুনাও। দফতরের সহ- অধিকর্তা মৌসুমী ধল বলেন, “এই ধরণের প্রকাশনা গবেষক ছাত্রছাত্রীদের খুবই সহায়তা করে।” তাঁর বক্তব্য, কৃষি বিমা (প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা), কৃষি ক্ষেত্রে উত্পাদন, শিল্প ক্ষেত্রের উৎপাদনের সূচকের পাশাপাশি অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বল্প এবং দীর্ঘ মেয়াদি নানা পরিকল্পনার মাধ্যমে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই দফতর।
ছাত্রছাত্রীদের সামনে প্রভাতবাবু বলেন, “পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নিরস বলে মনে হয়। তবে নিরস বলে কিছু হয় না। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সব কিছু ঠিক ঠিক শিখতে হবে। সহজ ভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে। কয়েক বছরের পরিসংখ্যান থাকলে পর্যালোচনা করার সুযোগ থাকে।” চন্দ্রিমাদেবী বলেন, “দেশের অর্থনীতিতে মহলানবিশের ভূমিকা অনেক বড়। পরিকল্পনার জন্য পরিসংখ্যান প্রয়োজন। দেশের জাতীয় আয়ের ১৬ শতাংশ কৃষি থেকে আসে। ফলে, কৃষির দিকটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।” সুজিতবাবু বলেন, “সব কাজের ক্ষেত্রেই সততা এবং নিষ্ঠা থাকা দরকার। পরিসংখ্যানের দিকটি সব দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ।”