midnapore

সাইরেনে আজও সজাগ ইন্দ্রিয়

বছর খানেক আগে হলদিয়া থেকে চলে এসেছি গোয়ায়। তবে বর্তমানে ফের ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধ-যুদ্ধ আবহে ফিরে যাচ্ছি যৌবনের সেই দিনগুলিতে।

অরুণ দাস, (সাক্ষী মুক্তিযুদ্ধের)

শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৫ ০৮:২৭
Share:

অরুণ কুমার দাস (আই এ এফ)

বাড়িতে মিথ্যা বলে কয়েকজন বন্ধু মিলে চলে গিয়েছিলাম বায়ু সেনার পরীক্ষা দিতে। পাশ করে রাজস্থানের যোধপুরে ৩২ উইং-এ পোস্টিং। এরপর এল সাল ১৯৭১। ওই বছর ৩ ডিসেম্বর যুদ্ধ শুরু হয়। শেষ হয় ১৮ ডিসেম্বর। ভয়ানক এক অনুভূতি। ভাবতে আজও গায়ে কাঁটা দেয়। আমাকে বারমের পাঠানো হয়েছিল। আমি পাইলট ছিলাম না। যুদ্ধের আগে প্রস্তত করা হত বিমান। আমরা সেই কাজ করতাম। নাওয়া-খাওয়া ভুলে যুদ্ধের আবহে দেখছি। সকালে খাচ্ছি, হঠাৎ পাকিস্তানের বিমান বোমা ফেলে গেল।

বছর খানেক আগে হলদিয়া থেকে চলে এসেছি গোয়ায়। তবে বর্তমানে ফের ভারত-পাকিস্তানের এই যুদ্ধ-যুদ্ধ আবহে ফিরে যাচ্ছি যৌবনের সেই দিনগুলিতে। নাগাড়ে ১৮ দিন যুদ্ধ ক্ষেত্রে থেকে তা অনুভবের অভিজ্ঞতা ভোলার নয়। আজও কোথাও সাইরেনের শব্দ বাজলে সজাগ হয়ে ওঠে ইন্দ্রিয়।

লেখক বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত সদস্য

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন