পরিদর্শনে প্রশাসনিক কর্তারা।
কলকাতা হাইকোটের নির্দেশে ঝাড়গ্রামে এমপিএস খামারের দখল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। বুধবার ঝাড়গ্রামের মহকুমাশাসক নকুলচন্দ্র মাহাতো, এসডিপিও (ঝাড়গ্রাম) বিবেক বর্মা-সহ মহকুমা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা এমপিএস খামারে গিয়েছিলেন।
আমানতকারীদের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে এমপিএস সংক্রান্ত মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীদের অর্থ ফেরানোর অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শৈলেন্দ্রপ্রসাদ তালুকদারের নেতৃত্বে কমিটিও গড়া হয়েছে। ২৪ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট ‘এমপিএস গ্রিনারি ডেভেলপার্স লিমিটেড’ সংস্থার যাবতীয় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল নেওয়ার রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়। সেই মতো জেলাশাসকের নির্দেশে এ দিন মহকুমাশাসক নকুলচন্দ্র মাহাতো খামারে গিয়ে দখল নেওয়া শুরু করেন।
গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এমপিএস সংস্থার রেজিস্টার্ড অফিসটি সিল করে দিয়ে সেখানে সর্বক্ষণের জন্য পুলিশ প্রহরা বসানো হয়। কিন্তু চারশো একর এলাকা জুড়ে থাকা বিশাল খামার চত্বরটি অরক্ষিত অবস্থাতেই রয়েছে। ফলে, গত এক বছরে এমপিএস খামার এবং খামারের সহযোগী সংস্থাগুলির ভবন ও রিসোর্ট থেকে বহু মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। এ দিন মহকুমাশাসক মোটর বাইকে চেপে গোটা খামারের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বলেন, “পাঁচিল মেরামত করে গোটা খামার চত্বরে পুলিশ নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। সংস্থার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে বিস্তারিত তথ্য হাইকোর্ট নিযুক্ত কমিটির কাছে জমা দেওয়া হবে।”