সৈকত পর্যটন কেন্দ্র মন্দারমণিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেআইনি হোটেল নির্মাণ চলছেই। বৃহস্পতিবার রামনগর-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্মীয়মাণ দু’টি হোটেলের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রামনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিডিও প্রীতম সাহা জানান, ‘‘মন্দারমণিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দু’টি হোটেল তৈরি হচ্ছে খবর পেয়েই অভিযান চালানো হয়। অনিয়মের বিষয়টি নজরেও আসে। ওই দু’টি হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।’’ বিডিও আরও জানান, মন্দারমণিতে বেআইনিভাবে হোটেল নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই ২৫টি হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরেই ৮টি হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মনোরম সৈকত আর নিরিবিলি পরিবেশের জন্য মন্দারমণি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয়। কিন্তু ‘কোস্টাল রেগুলেটিং জোন’-এর আওতায় পড়ায় মন্দারমণির তটভূমিতে কোনও ধরনের নির্মাণ করাই বেআইনি। ২০১২ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্দারমণিতে এসে বেলাভূমিতে সব ধরনের নির্মাণকাজের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও বেআইনি নির্মাণ ঠেকানো যায়নি। দরিদ্র ভূমিহীনদের পাট্টা দেওয়া জমিতেও অবৈধ ভাবে ৩১টি হোটেল-লজ তৈরি হয়েছে বলে ব্লক প্রশাসনের তদন্ত রিপোর্টে উঠে এসেছে।