লোকসভার ফলাফলের নিরিখে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতেও দাপট অব্যাহত তৃণমূলের।
পশ্চিম মেদিনীপুরে মোট ১৯টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ৮টি, বামেরা ৯টি এবং ২টি কংগ্রেস। রাজ্যে পালাবদলের পর একদা ‘লালদুর্গ’ এখন ‘সবুজ-গড়’ হয়েছে। লোকসভার নিরিখে মাত্র ১টি বিধানসভা থাকছে বামেদের দখলে। ১টি বিজেপির। সবংয়ে যেখানে কংগ্রেস ৬৫,৬৫৯ ভোট পেয়েছে, সেখানে বামেরা ৬৫,৭২৭ ভোট পেয়েছে। খড়্গপুর সদরে যেখানে তৃণমূল ৪০,১৩৫ ভোট পেয়েছে, সেখানে বিজেপি ৫১,১৫২ ভোট পেয়েছে। কংগ্রেস পেয়েছে ২১,৩১৬ ভোট। বামেরা পেয়েছে ২৯,৯৮৪ ভোট।
তাৎপর্যপূণ হল এই দুই বিধানসভাই এখন কংগ্রেসের দখলে। এই দুই এলাকাও কংগ্রেসের ‘খাস তালুক’ হিসেবে পরিচিত। সবং থেকে জেতেন মানস ভুঁইয়া। খড়্গপুর সদর থেকে জেতেন জ্ঞান সিংহ সোহন পাল। লোকসভার নিরিখে বাকি ১৭টি বিধানসভাই তৃণমূলের দখলে থাকছে। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গড়বেতা, কেশপুর, পিংলা, কেশিয়াড়ি, দাঁতন, বিনপুর, খড়্গপুর গ্রামীণ, নারায়ণগড়, চন্দ্রকোনা- এই ৯টি কেন্দ্র করে বামেরা।
লোকসভার নিরিখে গড়বেতায় বামেরা তৃণমূলের থেকে পিছিয়ে আছে ৭৮ হাজার ভোটে। কেশপুরে পিছিয়ে আছে ১ লক্ষ ১৭ হাজার ভোটে। পিংলায় পিছিয়ে আছে ২৫ হাজার ভোটে। কেশিয়াড়িতে পিছিয়ে আছে ৪০ হাজার ভোটে। দাঁতনে পিছিয়ে আছে ৩০ হাজার ভোটে। বিনপুরে পিছিয়ে আছে ৪৭ হাজার ভোটে। খড়্গপুর গ্রামীণে পিছিয়ে আছে ১৭ হাজার ভোটে। নারায়ণগড়ে পিছিয়ে আছে ২৬ হাজার ভোটে।