— প্রতীকী চিত্র।
হাসপাতালে পরিকাঠামো আছে, পরিষেবা নেই। বহির্বিভাগ চালু থাকলেও সেখানে রোগীর সংখ্যা কম। চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীদের হাজিরা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। সোমবার বিধাননগর পুরসভা নিয়ন্ত্রিত মাতৃসদন পরিদর্শনের পরে সেখানকার অব্যবস্থা নিয়ে এমনই অভিযোগ তুললেন বিধাননগরের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
এ দিন বিধাননগর পুরপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনায় সেই অভিযোগগুলি তুলে ধরেন বিধায়ক। বিধাননগরের পাশাপাশি, রাজারহাট-নিউ টাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়াও বিধাননগর পুর ভবনে যান। দুই বিজেপি বিধায়ক পুরপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাতে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরে অবিলম্বে পরিষেবায় গতি বাড়ানোর দাবি করেন। সেই কাজে তাঁরা প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।
আলোচনা শেষে দুই বিধায়ক ও পুরসভা কর্তৃপক্ষ একযোগে সমন্বয় সাধন করে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। পুরসভা সূত্রের খবর, ওই আলোচনায় অধিকাংশ পুর প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন। তবে তৃণমূল কর্মীদের একাংশের দাবি, প্রশাসনের তরফে আশ্বাস মিললেও পুরপ্রতিনিধিদের এলাকায় ফিরে কাজ শুরু করতে সমস্যা রয়েছে। তাতে দুই বিধায়ক দ্রুত পুরপ্রতিনিধিদের কাজ শুরুর আবেদন করে জানিয়েছেন, এমন সমস্যায় তাঁরা সাহায্য করবেন।
পুরসভা সূত্রের খবর, এ দিনের আলোচনায় বিধাননগর পুর এলাকায় রাস্তা, নিকাশি, স্বাস্থ্য পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে কথা হয়েছে। সেখানে মাতৃসদনের বেহাল দশা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও মাতৃসদন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই বেহাল দশার নেপথ্যে আর্থিক সীমাবদ্ধতা অন্যতম কারণ।
এ দিনের বৈঠক শেষে বিধাননগর ও রাজারহাট-নিউ টাউনের দুই বিধায়ক জানান, পরিষেবার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাস্তা, নিকাশি, দখল করা রাস্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ হবে। বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান, পরিষেবা যে ভাবে দেওয়া দরকার, সে ভাবেই চেষ্টা করছেন। সে ক্ষেত্রে নবনির্বাচিত বিধায়কেরা পরামর্শ দেবেন। বিধায়কদের কিছু বিষয়ে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে